...
...
Next Story

Shastra or Science: দরজার সামনে লেবু-লঙ্কা ঝোলানো হয় কেন? কোনও বৈজ্ঞানিক কারণ আছে কী

Shastra or Science: বাড়ির বা দোকালের দরজার সামনে ঝোলানো থাকে লেবু-লঙ্কা। শুধুই কি সংস্কার? নাকি এর পিছনে যুক্তিও আছে?

Published on: Apr 27, 2026, 10:32:32 IST
Advertisement

Shastra or Science: দোকানের বা বাড়ির দরজার সামনে অনেকেই লেবু-লঙ্কা সুতো দিয়ে গেঁথে ঝুলিয়ে রাখেন। এমনকী বাস বা অন্য যানবাহনের পিছনেও অনেককে এই লেবু আর লঙ্কা ঝুলিয়ে রাখতে দেখা যায়। অনেকের ধারণা এতে ঘরে অশুভ দৃষ্টি পড়ে না। এটি কি শুধুই সংস্কার? নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে? দেখে নেওয়া যাক।

দরজার সামনে লেবু-লঙ্কা ঝোলানো হয় কেন? কোনও বৈজ্ঞানিক কারণ আছে কী
দরজার সামনে লেবু-লঙ্কা ঝোলানো হয় কেন? কোনও বৈজ্ঞানিক কারণ আছে কী

বহু বছর ধরে সংস্কার হিসাবেই এই লেবু এবং লঙ্কা ঝোলানোর প্রক্রিয়া চলে আসছে। অনেকেই মনে করেন, এই লেবু এবং লঙ্কা অত্যন্ত শুভ। তাই এগুলি একসঙ্গে ঝোলালে অশুভ কোনও কিছু ঘরে প্রবেশ করতে পারে না। কিন্তু এর পিছনে রয়েছে অন্য কিছু কারণও।

  • অনেকে মনে করেন, লেবু এবং লঙ্কা এমন দু’টি উপাদান, যেগুলির দিকে তাকালে সঙ্গে সঙ্গে সেগুলির স্বাদ মনে পড়ে যায়। তাতে মন সম্পূর্ণ রূপে নিজের জিভের দিকে চলে যায়। অনেকের এতে লালা নিঃসৃত হতে থাকে। এতে ঝুলিয়ে রাখা-লেবু লঙ্কার পিছনে যে ঘর রয়েছে, সেদিকে খুব মনোযোগ দিয়ে তাকাতে ভুলে যান তিনি। তাতে ঘরের ভিতরের গোপনীয়তা বজায় থাকে। তবে এটি একেবারেই বিশ্বাস। এর পিছনে বৈজ্ঞানিক কোনও ব্যাখ্যা নেই।
  • এর পাশাপাশি একটি কারণ আছে, যার পিছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। লেবু এবং লঙ্কা— দুটোরই কড়া গন্ধ আছে। সেই গন্ধ মশা-মাছির মতো পোকাদের দূরে রাখে। তাই দরজার মুখে লেবু-লঙ্কা ঝুলিয়ে রাখলে সেই পথে নানা ধরনের পোকামাকড় কম ঢোকে।
  • বাস্তুশাস্ত্র মতেও দরজার মুখে লেবু-লঙ্কা ঝুলিয়ে রাখা ভালো। এতে ঘরের বাসিন্দাদের মঙ্গল হয়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON