...
...
Next Story

বেশির ভাগ মানুষ ডানহাতের বদলে বাঁহাতে ঘড়ি পরেন কেন? জানলে অবাক হবেন

এটি কেবল একটি প্রচলিত ফ্যাশন বা অভ্যাস নয়, এর পেছনে রয়েছে একাধিক বাস্তব কারণ।

Published on: Dec 05, 2025 08:58 AM IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, বেশিরভাগ মানুষ, বিশেষত যারা ডানহাতি (Right-handed), তারা ঘড়ি পরার জন্য বাঁহাতকেই বেছে নেন? এটি কেবল একটি প্রচলিত ফ্যাশন বা অভ্যাস নয়, এর পেছনে রয়েছে একাধিক বাস্তব কারণ, যার মূল উদ্দেশ্য হলো কার্যকারিতা (Functionality) এবং সুরক্ষা।

বেশির ভাগ মানুষ ডানহাতের বদলে বাঁহাতে ঘড়ি পরেন কেন?
বেশির ভাগ মানুষ ডানহাতের বদলে বাঁহাতে ঘড়ি পরেন কেন?

বেশির ভাগ মানুষ কেন বাঁহাতে ঘড়ি পরেন, তা জেনে নিন।

১. প্রধান কারণ: কাজের সুবিধা (Functionality)

অধিকাংশ মানুষ (প্রায় ৯০%) ডানহাতি। ঘড়ি বাঁহাতে পরার প্রধান কারণ হলো ডানহাতকে সব কাজের জন্য মুক্ত রাখা।

  • নিরবচ্ছিন্ন কাজ: লেখার সময়, কম্পিউটার ব্যবহারের সময়, জিনিসপত্র ধরার সময় বা অন্যান্য সূক্ষ্ম কাজ করার সময় ডানহাতই ব্যস্ত থাকে। ঘড়ি বাঁহাতে থাকলে, ডানহাতের কাজ বন্ধ না করেই মুহূর্তের মধ্যে বাঁহাতে সময় দেখা সম্ভব হয়।
  • স্বাচ্ছন্দ্য: যদি ডানহাতে ঘড়ি পরা হয়, তবে লেখার সময় ঘড়ির ডায়াল টেবিলের ওপর ঘষা খেতে পারে এবং অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। বাঁহাতে ঘড়ি থাকলে কাজের সময় তা কম বাধা সৃষ্টি করে।

২. দ্বিতীয় কারণ: সুরক্ষা এবং স্থায়িত্ব (Protection and Durability)

ঘড়ি একটি মূল্যবান এবং সংবেদনশীল জিনিস। এটিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্যই নন-ডমিন্যান্ট হাতে পরা হয়।

  • আঘাত এড়ানো: যেহেতু ডানহাত সব কাজ করে, তাই এটিকে ঘন ঘন দরজা, টেবিল বা অন্য বস্তুর সঙ্গে ধাক্কা লাগার ঝুঁকি থাকে। বাঁহাতে ঘড়ি থাকলে ধাক্কা লাগার সম্ভাবনা কমে যায় এবং ঘড়ির ডায়াল ও স্ট্র্যাপ সুরক্ষিত থাকে।
  • দীর্ঘায়ু: কম আঘাত পাওয়ার কারণে ঘড়িটি দীর্ঘস্থায়ী হয়।

৩. ঐতিহাসিক কারণ: ঘড়িতে দম দেওয়া (Winding the Crown)

ঘড়ি বাঁহাতে পরার মূল কারণটি হলো সুবিধা এবং সুরক্ষা। এটি নিশ্চিত করে যে ঘড়িটি যেন দৈনন্দিন কাজকর্মে বাধা না দেয় এবং অপ্রয়োজনীয় আঘাত থেকে রক্ষা পায়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON