...
...
Next Story

Homemade Curd: দইয়ের বীজ বা দম্বল না থাকলেও বাড়িতে দই পাতা সম্ভব, শুধু লাগবে লেবু-কাঁচালঙ্কা

Homemade Curd: এই টিপসগুলি অবলম্বন করে আপনি সহজে ঘরেই মিষ্টান্নের মতো টক দই তৈরি করতে পারবেন।

Published on: Apr 17, 2026 04:23 PM IST
Advertisement

Homemade Curd: স্বাস্থ্যের জন্য দইয়ের উপকারিতা সকলেই জানেন। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দই অন্তর্ভুক্ত করলে একজন মানুষ অনেক উপকার পান। তবে বেশিরভাগ মহিলারা প্রায়শই অভিযোগ করেন যে অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও, বাড়িতে যে দই জমাট বাঁধে তা মিষ্টির দোকানের মতো শক্ত হয়ে যায় না এবং দই জমে গেলেও তা টক এবং স্বাদে কমতি থেকে যায়। আপনারও যদি একই সমস্যা থাকে, তাহলে এই টিপসগুলি অবলম্বন করে আপনি সহজে ঘরেই মিষ্টান্নের মতো টক দই তৈরি করতে পারবেন।

দইয়ের বীজ বা দম্বল না থাকলেও বাড়িতে দই পাতা সম্ভব, শুধু লাগবে লেবু-কাঁচালঙ্কা
দইয়ের বীজ বা দম্বল না থাকলেও বাড়িতে দই পাতা সম্ভব, শুধু লাগবে লেবু-কাঁচালঙ্কা

দই নতুন করে বানানোর জন্য আমরা সাধারণত আগের দিনের দই ব্যবহার করে থাকি। যাকে দম্বল বলা হয়ে থাকে। কেউ কেউ দইয়ের বীজও বলেন। কিন্তু এই দম্বল না থাকলেও বাড়িতে দই পাতা সম্ভব, তাও আবার সুস্বাদু ও থকথকে। চলুন দেখে নেই কীভাবে--

কাঁচালঙ্কা

দই পাতার জন্য কাঁচা লঙ্কা ব্যবহার করতে পারেন। আসুন জেনে নেই কীভাবে সকাঁচা লঙ্কার সাহায্যে দই তৈরি করা যায়।

কী লাগবে: ১টি কাঁচালঙ্কা, ১/২ কাপ ফুলক্রিম দুধ

পদ্ধতি: ভুলেও কাঁচালঙ্কার বোটা খুলে ফেলবেন না। এটিই দই জমতে সাহায্য করে।প্রথমে উষ্ণ দুধ নিন। এবার একটি কাচের পাত্রে রাখুন। এই দুধে মরিচ পুরোপুরি ডুবিয়ে রাখুন এবং ১০-১২ ঘন্টার জন্য আর্দ্র জায়গায় ঢেকে রাখুন। এর পরে, আপনার টক দই শক্ত হয়ে যাবে এবং কাঁচালঙ্কার এই ডাঁটির উৎসেচকেই দই জমবে। এবার এখান থেকে দম্বল তুলে রাখলেই পরেরদিন থেকে দই পাতা সম্ভব।

কাঁচালঙ্কার মতো লেবুর রসও দই পাততে সাহায্য করে।

কী লাগবে: ১ চামচ লেবুর রস, ১/২ কাপ ফুলক্রিম দুধ

পদ্ধতি: ফুটিয়ে রাখা দুধ হালকা গরম থাকতে থাকতে লেবুর রস মিশিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন। ১০-১২ ঘণ্টা এই জায়গায় একভাবে দুধ ঢাকা দিয়ে রাখলে দই জমে যাবে। এটিকেও পরবর্তীতে দম্বল হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON