Manchester United News: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাম্প্রতিক ফর্ম যতই ওঠানামা করুক না কেন, দলের প্রতি ভালোবাসা এবং বিশ্বাস এক বিন্দুও কমেনি ভারতীয় দলের তারকা লেগ-স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালের। শৈশব থেকেই রেড ডেভিলসদের অন্ধ ভক্ত চাহাল এখনও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে চলতি মরশুমে যে কোনওদিন বড় চমক দিতে পারে তাঁর প্রিয় এই ক্লাবটি। নতুন উদ্যমে দল ঘুরে দাঁড়াবে, এমনটাই আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি।
শৈশবের ভালোবাসা ও ওল্ড ট্রাফোর্ডের রোমাঞ্চ

সম্প্রতি ওল্ড ট্রাফোর্ডে বসে সরাসরি ম্যানচেস্টার ডার্বি উপভোগ করেছেন যুজবেন্দ্র চাহাল। জিওস্টারের এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে চাহাল জানান যে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে সমর্থন করা তাঁর জীবনের একটি অঙ্গ। বন্ধুদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে বড় ম্যাচ উপভোগ করা এবং তার সঙ্গে চলা হাসি-মস্করা ও আবেগের মুহূর্তগুলি ফুটবল ভক্ত হিসেবে তাঁর জীবনের অন্যতম সেরা পাওনা।
ম্যাচ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে চাহাল শেয়ার করেন যে, সম্প্রতি ওল্ড ট্রাফোর্ডে বসে ম্যানচেস্টার ডার্বি উপভোগ করার অভিজ্ঞতাটি তাঁর কাছে অত্যন্ত রোমাঞ্চকর ছিল। ম্যানচেস্টার সিটির একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পর তাঁর মনে হয়েছিল দল এবার ম্যাচ বের করে নেবে। কিন্তু পরবর্তীতে আরলিং হ্যালান্ডের গোল এবং তার সঙ্গে ভিএআর (VAR) নাটকের জেরে শেষপর্যন্ত ফলাফল পক্ষে না আসায় একজন অন্ধ ভক্ত হিসেবে তা বেশ কষ্টদায়ক ছিল বলেই জানান এই ক্রিকেটার। তবে হার-জিত যাই হোক না কেন, ফুটবলের আসল রোমাঞ্চ এখানেই লুকিয়ে রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
কুনহার প্রশংসা ও দলের লড়াইয়ের মানসিকতা
দলের বর্তমান স্কোয়াডের লড়াই করার মানসিকতা ও অপ্রত্যাশিত পারফরম্যান্সের ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে চাহালের। বিশেষ করে ম্যাথেউস কুনহার খেলার স্টাইল এবং মাঠে তাঁর বিপুুল শক্তি ও আক্রমণাত্মক মনোভাব তাঁকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করেছে। সতীর্থদের উদ্দীপ্ত করার এই প্রবণতা দলের মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দেয় বলে মত তাঁর।
{{/usCountry}}দলের বর্তমান স্কোয়াডের লড়াই করার মানসিকতা ও অপ্রত্যাশিত পারফরম্যান্সের ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে চাহালের। বিশেষ করে ম্যাথেউস কুনহার খেলার স্টাইল এবং মাঠে তাঁর বিপুুল শক্তি ও আক্রমণাত্মক মনোভাব তাঁকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করেছে। সতীর্থদের উদ্দীপ্ত করার এই প্রবণতা দলের মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দেয় বলে মত তাঁর।
{{/usCountry}}চাহাল আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, ‘এই ইউনাইটেড দলের মধ্যে সবথেকে ভালো লাগার দিকটি হল ওদের লড়াই করার জেদ এবং যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা। ম্যাথেউস কুনহা যেভাবে মাঠে অতিরিক্ত এনার্জি নিয়ে খেলে, ডিফেন্ডারদের পরাস্ত করে এবং বাকিদের উৎসাহ দেয়, তা এককথায় দারুণ। আমি সত্যি বিশ্বাস করি যে এই দলটি এখনও সবাইকে অবাক করে দিতে পারে। শৈশব থেকে ইউনাইটেড ফ্যান হিসেবে আমি সবসময় দলকে সমর্থন করে যাব।’