ইরানে মার্কিন-ইজরায়েলি বাহিনীর হামলার পর থেকেই অশান্ত পশ্চিম এশিয়া। আর এই যুদ্ধের মধ্যেই বিভ্রান্তিকর বা ভুয়ো ভিডিয়ো বা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। এদিকে ইরান যুদ্ধের আবহে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর রোজ হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আইআরজিসি। এতে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের। এই পরিস্থিতিতে ইরানের হামলার কোনও ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার ক্ষেত্রে 'নিষেধাজ্ঞা' জারি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ। তবে এর মাঝেও সত্যি লুকিয়ে রাখতে পারছে না তারা। আবার অনেক ক্ষেত্রে ভুয়ো দাবিও করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় যুদ্ধ সংক্রান্ত কন্টেন্ট পোস্ট করায় ৩৫ জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৯ জন ভারতীয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করা হবে এবং তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। ধৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে চলমান সংঘাত সম্পর্কিত ফুটেজ প্রচার করেছে তারা। এদিকে ভারতীয় ছাড়াও অভিযুক্তদের মধ্যে বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, নেপালি, মিশরীয়, ফিলিপিনোরা আছে। উল্লেখ্য, দোষী সাব্যস্ত হলে ধৃতদের ১ বছরের কারাদণ্ড এবং ইউএই-র মুদ্রায় ১ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিক স্থানে হামলা চালিয়েছিল ইরান। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং আবু ধাবির বহু হোটেল, ভবন, বন্দরে হামলা চালিয়েছে ইরান। দুবাইয়ের বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরানি মিসাইলের আঘাতে। এমনকী দুবাইয়ের বিমানবন্দরেও আছড়ে পড়েছে ইরানের মিসাইল। দুবাইয়ে মেরিনার টাওয়ার, বিলাসবহুল পাম জুমেইরা এলাকার ফেয়ারমন্ট দ্য পাম হোটেল, বুর্জ আল আরব হোটেল থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গিয়েছে। যদিও এই সব জায়গায় হামলার বিষয়টি সরকারি ভাবে স্বীকার করছে না আমিরাতি সরকার। শুধু তাই নয়, দুবাই বিমানবন্দরে হামলার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সত্ত্বেও সে দেশের সরাকারি টিভি চ্যানেলে দাবি করা হয়েছে, বিমানবন্দরে নাকি কোনও হামলাই হয়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ইরানের দিক থেকে ধেয়ে আসা ড্রোন এবং মিসাইলগুলিকে প্রতিহত করার কাজ করছে তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। তাদের হিসেব মতো ইরানের অধিকাংশ মিসাইল এবং ড্রোন তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে। তবে সেই সব মিসাইল বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে গিয়ে নাকি বেশ কিছু জায়গায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুবাইতে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানি, শ্রীলঙ্কান, নেপালি নাগরিকদের মৃত্যু ঘটেছে ইরানের মিসাইলের ধ্বংসাবশেষে।
{{/usCountry}}সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ইরানের দিক থেকে ধেয়ে আসা ড্রোন এবং মিসাইলগুলিকে প্রতিহত করার কাজ করছে তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। তাদের হিসেব মতো ইরানের অধিকাংশ মিসাইল এবং ড্রোন তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে। তবে সেই সব মিসাইল বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে গিয়ে নাকি বেশ কিছু জায়গায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুবাইতে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানি, শ্রীলঙ্কান, নেপালি নাগরিকদের মৃত্যু ঘটেছে ইরানের মিসাইলের ধ্বংসাবশেষে।
{{/usCountry}}