...
...
Next Story

MQ-9 Reaper drones: ইরানের আকাশে মার্কিন ড্রোনের সমাধি! ৩ মাসে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের ধাক্কা US-র

MQ-9 Reaper drones: উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সেন্সর এবং ক্যামেরাসমৃদ্ধ একেকটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৩ কোটি মার্কিন ডলার। এই ড্রোনগুলো হেলফায়ার মিসাইল এবং জেডিএএম-এর মতো দূরনিয়ন্ত্রিত ও নিখুঁত নিশানার বোমা বহনে সক্ষম।

Published on: May 22, 2026, 13:29:28 IST
Advertisement

MQ-9 Reaper drones: ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযানের ব্যয় আকাশ ছুঁয়েছে। একের পর এক অত্যাধুনিক ড্রোন ধ্বংস করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে তেহরান। এই আবহে নতুন একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে মাত্র ৩ মাসে, ইরান প্রায় ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলার মূল্যের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবান ও অত্যাধুনিক ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ধ্বংস করেছে।

৩ মাসে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের ধাক্কা US-র (REUTERS)
৩ মাসে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের ধাক্কা US-র (REUTERS)

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক সূত্র উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, চলতি যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী এ পর্যন্ত অন্তত ২৪টি এবং সম্ভবত সর্বোচ্চ ৩০টি পর্যন্ত অত্যন্ত মূল্যবান এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারিয়েছে। এই বিপুল সংখ্যার মধ্যে শুধু মাঝ আকাশে ভেঙে পড়া ড্রোনই নয়, বরং অভিযান চলাকালীন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর যেগুলোকে চিরতরে ‘বাতিল’ বা স্ক্র্যাপ ঘোষণা করতে হয়েছে, সেগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই চরম ক্ষতি পেন্টাগনের যুদ্ধ-পূর্ববর্তী উচ্চমূল্যের মনুষ্যবিহীন বিমানের মোট মজুদের প্রায় ২০ শতাংশ বা এক-পঞ্চমাংশ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অনেক ড্রোন ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হামলায় আকাশেই ভূপাতিত হয়েছে। এছাড়া কিছু ড্রোন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মাটিতেই ধ্বংস হয় এবং কিছু অভিযান পরিচালনার সময় দুর্ঘটনায় হারিয়ে যায়।

কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম ক্ষতি?

ইরানের সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে এমকিউ-৯ রিপার অন্যতম। উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সেন্সর এবং ক্যামেরাসমৃদ্ধ একেকটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৩ কোটি মার্কিন ডলার। এই ড্রোনগুলো হেলফায়ার মিসাইল এবং জেডিএএম-এর মতো দূরনিয়ন্ত্রিত ও নিখুঁত নিশানার বোমা বহনে সক্ষম। ফলে ২৪ থেকে ৩০টি ড্রোন ধ্বংসের কারণে মার্কিন সামরিক বাহিনীর মোট আর্থিক ও কৌশলগত ক্ষতির পরিমাণ এই মুহূর্তে বিশ্ব রাজনীতিতে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সামরিক ক্ষতিতে চাপ বাড়ছে

তবে পেন্টাগন বা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এই যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির কোনও ০সামগ্রিক তালিকা প্রকাশ করেনি। সিআরএস মূলত মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর ও সেন্ট্রাল কমান্ডের বিভিন্ন খণ্ড খণ্ড বিবৃতি এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে তালিকাটি তৈরি করেছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe