দিনেদুপুরে পাকিস্তানে ২০ জন পুলিশ কর্মীর অপহরণের ঘটনা ঘিরে শোরগোল। জানা যাচ্ছে, বালোচিস্তানের মাতসঙ্গ এলাকায় কোয়েট্টা-করাচি হাইওয়ে থেকে ওই ২০ জনকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর কয়েকজন অপহরণ করে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন-এ এই খবর প্রকাশিত হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অফিসারকে উল্লেখ করে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

রিপোর্ট অনুসারে, সপ্তাহান্তের ছুটিতে ওই ২০ জন পাকিস্তানি পুলিশকর্মী যাচ্ছিলেন বাড়ি। তাঁরা একটি পাবলিক ভ্যানে চড়েছিলেন। সেই খান থেকেই তাঁদের অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, বাইকে চড়ে এসে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র হাতে ওই সশস্ত্রবাহিনীর ব্যক্তিরা আসে। ভ্যান থেকে ওই ২০ পুলিশকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে তারা কোনও অজানা যায় চলে যায়। তবে জানা গিয়েছে, এই ভ্যানের চালক ও সেখানে থাকা ৩ জনকে এই সশস্ত্র বাহিনী যদিও ছেড়ে দেয়।
পাকিস্তানের সরকারি অফিসাররা বলছেন, পাকিস্তান পুলিশের রকশন ডিভিশনের কর্মী তাঁরা। তাঁরা পাকিস্তানের কালাত পুলিশ স্টেশনের ট্রেনিং এ ছিলেন। সেখান থেকেই বাড়ি ফিরছিলেন ওই ২০ পুলিশ কর্মী। বাড়ি ফেরার পথেই তাঁদের অপহরণ করা হয়। আপাতত পাহাড়ের বুকে ওই ২০ পুলিশ কর্মীর খোঁজে অপারেশন শুরু করেছে পাকিস্তানি প্রশাসন।
তবে এমন ধরনের অপহরণের ঘটনা নতুন নয়। রকশন এলাকার ডিভিশন কমিশনার আসাদ ককারও কিছুদিন আগে বালোচিস্তানের খারান জেলায় নিখোঁজ হন। আরেকটি ঘটনায় খারানের ডেপুটি কমিশনার মুনির আহমেদ সুমরুও নিখোঁজ হন। গত ৩ অক্টোবর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জানা যাচ্ছে, ২ সপ্তাহ তিনি বন্দি ছিলেন। শেষে সশস্ত্র বাহিনী ও স্থানীয় উপজাতির বয়স্ক নেতাদের মধ্যে সমঝোতা আলোচনার পর তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এর আগে, ২১ জুলাই বালোচিস্তানের এক চেকপোস্টে ৩ আবগারি অফিসারের অপহরণের ঘটনা ঘটে।