...
...
Next Story

MQ-4C Triton: বড় ক্ষতি! হরমুজ প্রণালীতে নিখোঁজ ২০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন ড্রোন, বাড়ছে রহস্য

MQ-4C Triton: এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোনটির মূল্য ২০০ মিলিয়ন বা ২০ কোটি ডলারেরও বেশি এবং এটিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এলাকার জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল।

Published on: Apr 10, 2026 01:56 PM IST
Advertisement

MQ-4C Triton: হরমুজ প্রণালীর আকাশে নজরদারি অভিযানের পর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন। এমকিউ-৪সি ট্রাইটন মডেলের এই ড্রোনটি উড্ডয়নের মাঝপথে জরুরি সংকেত পাঠানোর কিছুক্ষণ পরই রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। আর এই ঘটনাটি ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলে।

হরমুজ প্রণালীতে নিখোঁজ মার্কিন ড্রোন (সৌজন্যে টুইটার)
হরমুজ প্রণালীতে নিখোঁজ মার্কিন ড্রোন (সৌজন্যে টুইটার)

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রোনটি পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী এলাকায় প্রায় তিন ঘণ্টা নজরদারি মিশন সম্পন্ন করে ইতালির সিসিলিতে অবস্থিত নেভাল এয়ার স্টেশন সিগোনেলা নৌ বিমান ঘাঁটির উদ্দেশ্যে ফিরছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনলাইন ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪ বলছে, ড্রোনটি ইরানের দিকে সামান্য মোড় নেওয়ার পর ‘৭৭০০’ (সাধারণ জরুরি অবস্থার জন্য) কোড পাঠিয়ে নিচে নামতে শুরু করে। চালকবিহীন বিমানটিকে ‘অদৃশ্য’ হওয়ার আগে দ্রুত উচ্চতা হারাতে দেখা যায়। তবে ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি গুলি করে নামানো হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি এমন সময় ঘটলো, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই দিন আগে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে এবং তেহরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর ঘোষণা করেছে।

বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল ড্রোন

এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোনটির মূল্য ২০০ মিলিয়ন বা ২০ কোটি ডলারেরও বেশি এবং এটিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এলাকার জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রচলিত আকাশযান থেকে ভিন্ন, ট্রাইটন সংকীর্ণ জলপথের ওপর দীর্ঘক্ষণ ধরে কৌশলগত নজরদারি চালাতে সক্ষম। এটি অবিরাম ও বৃহৎ পরিসরের সামুদ্রিক নজরদারির জন্য নির্মিত এবং প্রায়শই পি-৮এ পোসাইডন টহল বিমানের ‘চোখ’ হিসেবে কাজ করে। ট্রাইটন একমাত্র উচ্চ-উচ্চতা ও দীর্ঘ-সহনশীলতা সম্পন্ন (HALE) সামুদ্রিক বিমান, যা ৫০ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ৭ হাজার ৪০০ নটিক্যাল মাইল পাল্লায় উড়তে সক্ষম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল নাগাদ মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে ২০টি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোন ছিল এবং আরও সাতটি ড্রোন কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।

যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খরচ

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe