...
...
Next Story

Chainsaw Attack Case: অন্ধ্রপ্রদেশে স্কুলে ঢুকে ছাত্রীকে চেইনস দিয়ে কোপ মারা মামাকে গুলি পুলিশের

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার। অনন্তপুর জেলার রাপ্তাডুর জিলা পরিষদ সরকারি স্কুলে তখন ক্লাস চলছিল। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চেনস হাতে ক্লাসরুমে ঢুকে পড়ে হেমন্ত। তার নিশানায় ছিল দশম শ্রেণির ১৫ বছরের এক ছাত্রী।

Published on: Nov 2, 2026, 08:39:07 IST
Advertisement

অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুরে স্কুলের ক্লাসরুমে ঢুকে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে চেইনস দিয়ে আক্রমণের ঘটনায় নতুন মোড়। পুলিশের দাবি, গ্রেফতারের পর অপরাধের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পথে পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত যুবক। পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার পাশাপাশি ছুরি নিয়ে হামলারও চেষ্টা করে সে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালায় পুলিশ। ছ’টি গুলিতে গুরুতর জখম হয় ২১ বছরের হেমন্ত ওরফে দুম্মু। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।

অন্ধ্রপ্রদেশে স্কুলে ঢুকে ছাত্রীকে চেইনস দিয়ে কোপ মারা মামাকে গুলি পুলিশের
অন্ধ্রপ্রদেশে স্কুলে ঢুকে ছাত্রীকে চেইনস দিয়ে কোপ মারা মামাকে গুলি পুলিশের

রবিবার সন্ধ্যায় অনন্তপুরের আত্মাকুর জঙ্গলের কাছে বিশেষ পুলিশ বাহিনী হেমন্তকে খুঁজে পায়। শনিবার স্কুলে হামলার পর থেকেই পলাতক ছিল সে। অভিযুক্তের খোঁজে প্রায় ২৫টি বিশেষ পুলিশ দল তৈরি করা হয়েছিল। রবিবার গোপন সূত্রে তার অবস্থান জানতে পারে পুলিশ। এর পর দু’টি দল ওই এলাকায় পৌঁছয়। পুলিশের দাবি, প্রথমে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল হেমন্তকে। এমনকি সতর্ক করতে শূন্যেও গুলি চালানো হয়। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। উল্টে সে পুলিশকর্মীদের দিকে পাথর ছুড়তে শুরু করে। ছুরি নিয়ে হামলারও চেষ্টা করে। এই ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিক আহত হন। শেষ পর্যন্ত আত্মরক্ষার তাগিদে ছ’টি গুলি চালায় পুলিশ। কোমরের নীচে একাধিক গুলির আঘাত লাগে হেমন্তের। রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ তাকে অনন্তপুর সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

কেন এই হামলা?

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার। অনন্তপুর জেলার রাপ্তাডুর জিলা পরিষদ সরকারি স্কুলে তখন ক্লাস চলছিল। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চেনস হাতে ক্লাসরুমে ঢুকে পড়ে হেমন্ত। তার নিশানায় ছিল দশম শ্রেণির ১৫ বছরের এক ছাত্রী। অভিযোগ, ওই ছাত্রীর উপর আচমকাই হামলা চালায় সে। মুখ, গলা, পিঠ এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লাগে ছাত্রীর। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয় আরও এক সহপাঠী। হামলার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।

এ দিকে, আক্রান্ত ছাত্রীকে প্রথমে অনন্তপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে প্রায় আট ঘণ্টা ধরে চিকিৎসকেরা তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষ অ্যাম্বুল্যান্সে গ্রিন করিডর করে তাকে বেঙ্গালুরুর মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে অস্ত্রোপচার করেন। শিক্ষামন্ত্রী নারা লোকেশ জানিয়েছেন, ছাত্রীর রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই ঘটনায় স্কুলের পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন। আহত দুই ছাত্রীর চিকিৎসার দায়িত্বও নিয়েছে রাজ্য সরকার।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks