...
...
Next Story

Hindu family missing: খুন নাকি ভারতে আত্মগোপন? রংপুর হত্যাকাণ্ডের পর চাঁদপুরে হিন্দু পরিবারের ৪ সদস্য ‘নিখোঁজ’

Hindu family missing: চাঁদপুর শহরে ‘এসকে শিল্পালয়’ নামে দোকান রয়েছে পিন্টু দাসের। স্ত্রী রিমি, বড় ছেলে প্রিয়ম এবং ছোট ছেলে রূপমকে নিয়ে চাঁদপুর শহরে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।

Published on: Aug 26, 2026, 21:29:37 IST
Advertisement

Hindu family missing: রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে উত্তাল বাংলাদেশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দু' জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ রয়েছে অনেকেরই। এই আবহে চাঁদপুর শহরের মদিনা মার্কেটের ব্যবসায়ী পিন্টু দাস-সহ তাঁর পরিবারের চার সদস্যের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বুধবার পিন্টু দাসের নিকটাত্মীয় ও চাঁদপুর জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক উপমা দে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এই ঘটনায় ওপার বাংলায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

চাঁদপুরে হিন্দু পরিবারের ৪ সদস্য ‘নিখোঁজ’ (সৌজন্যে টুইটার)
চাঁদপুরে হিন্দু পরিবারের ৪ সদস্য ‘নিখোঁজ’ (সৌজন্যে টুইটার)

জানা গিয়েছে, চাঁদপুর শহরে ‘এসকে শিল্পালয়’ নামে দোকান রয়েছে পিন্টু দাসের। স্ত্রী রিমি, বড় ছেলে প্রিয়ম এবং ছোট ছেলে রূপমকে নিয়ে চাঁদপুর শহরে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। উপমা দে-র অভিযোগ, সম্প্রতি পাটোয়ারী বাড়ির এক ব্যক্তি পিন্টু দাসকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন। কয়েক দিন আগে পিন্টুর স্ত্রী-ছেলেরাও বিষয়টি জানতে পারেন। তার পরেই সপরিবার আচমকা নিখোঁজ হয়ে যান পিন্টু। তিনি কোথায় পালিয়ে গিয়েছেন, না তাঁকে অপহরণ করা হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, পিন্টু সপরিবার ভারতে পালিয়ে এসেছেন।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অন্য একটি সূত্রের দাবি, পিন্টুরা সম্ভবত আত্মগোপন করে আছেন। তাঁদের দাবি, পিন্টু দাস সোনার বন্ধকি কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি কয়েকজনের কাছ থেকে সোনা বন্ধক রেখে টাকা দেওয়ার পর সময়মতো সেই সোনা ফেরত দিতে পারছিলেন না। সেই নিয়ে হুমকির মুখেও পড়েছিলেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন সমিতি থেকেও ব্যবসার নামে ঋণ নেওয়ায় তিনি আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন বলে দাবি তাঁদের। স্থানীয়দের বক্তব্য, একাধিক জায়গায় দোকান পরিবর্তনের পর সর্বশেষ শহরের মদিনা মার্কেটে ‘এস কে শিল্পালয়’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান খোলেন পিন্টু দাস।

তবে পিন্টু দাসের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা, তা এখনও জানা যায়নি। নিশ্চিত ভাবে কিছু বলতে পারেনি পুলিশ। চাঁদপুর সদর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস বলেন, ‘পিন্টু দাস সপরিবারে আত্মগোপনে থাকলে তাঁকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেছেন কিনা, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না।’ তবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি। তিনি বলেন, ‘পিন্টু দাস-সহ তাঁর পরিবারের চারজন নিখোঁজের বিষয়টি এইমাত্র জানতে পেরেছি। বিষয়টি তদন্ত করে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe