...
...
Next Story

Pune-based IT Firm: রাতারাতি ঝাঁপ বন্ধ পুণের IT সংস্থার! চাকরি হারালেন ৭০০ কর্মী, ধৃত CEO

Pune-based IT Firm: পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘থিঙ্ক টেক ইন্ডিয়া’র বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ এবং কর্মীদের আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। হিঞ্জেওয়াড়ি থানায় এক ২৫ বছরের ইন্টার্ন অভিযোগ দায়ের করার পরে তদন্ত শুরু হয়। পরে ৩০ জনেরও বেশি কর্মী ও ইন্টার্ন একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন।

Published on: Jun 4, 2026, 14:04:15 IST
Advertisement

Pune-based IT Firm: পুণের হিঞ্জাওয়াড়ির গ্যারাজ ইম্পেরিয়াল রাইজ বিল্ডিংয়ে থাকা তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ‘থিঙ্ক টেক ইন্ডিয়া’ রাতারাতি অফিস বন্ধ করে দেওয়ায় ৭০০ জনেরও বেশি ইঞ্জিনিয়ার, কর্মী ও ইন্টার্ন চাকরি হারিয়েছেন। চাকরি হারানোর পাশাপাশি তাঁরা এক বড়সড় আর্থিক জালিয়াতির শিকার হয়েছেন বলে দাবি। অভিযোগ, গত এপ্রিল মাসে কোনও পূর্ব নোটিস ছাড়াই সংস্থাটি তাদের অফিস বন্ধ করে দেয়, ফলে কর্মীরা হঠাৎ করেই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে সংস্থার প্রধান নির্বাহী আধিকারিক (সিইও)-কে। এই ঘটনাটি ভারতের আইটি এবং স্টার্টআপের ক্ষেত্রে বড়সড় আলোড়ন তৈরি করেছে।

রাতারাতি ঝাঁপ বন্ধ পুণের IT সংস্থার! (সৌজন্যে টুইটার)
রাতারাতি ঝাঁপ বন্ধ পুণের IT সংস্থার! (সৌজন্যে টুইটার)

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘থিঙ্ক টেক ইন্ডিয়া’র বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ এবং কর্মীদের আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। হিঞ্জেওয়াড়ি থানায় এক ২৫ বছরের ইন্টার্ন অভিযোগ দায়ের করার পরে তদন্ত শুরু হয়। পরে ৩০ জনেরও বেশি কর্মী ও ইন্টার্ন একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন। পুলিশ জানিয়েছে, সিইও-র পাশাপাশি সংস্থার ট্রেনিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রধান এবং মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগের এক আধিকারিকের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। কর্মীদের অভিযোগ, সংস্থাটি এপ্রিল মাসে কোনও পূর্বঘোষণা ছাড়াই কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। ফলে কর্মীরা অফিসে গিয়ে দেখেন দরজা বন্ধ। অনেকেই বকেয়া বেতন, স্টাইপেন্ড বা সংস্থার তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাননি। অনেকেই বলেছেন, তাঁরা কর্মস্থলে পৌঁছে দেখেন যে অফিসে তালা এবং সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনও ভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

তদন্তে উঠে এসেছে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে স্টার্টআপ সংস্থাটি নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে। ইন্টার্নদের মাসিক ১৫,০০০ টাকা বৃত্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। চাকরি দেওয়ার নাম করে এবং ট্রেনিং ও ল্যাপটপ বাবদ সংস্থার প্রত্যেক প্রার্থীর থেকে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা (সিকিউরিটি ডিপোজিট) দাবি করা হয় বলে অভিযোগ। চাকরি পাওয়ার আনন্দে এবং অভিজ্ঞতার আশায় অনেকেই সেই টাকা জমা দেন। শুরুতে টাকাপয়সা ও বেতন নিয়ে সমস্যা ছিল না। বেতন নিয়মিতই দেওয়া হত। কিন্তু কর্মীর দাবি, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয় সংস্থা। বকেয়া মেটাতে দেওয়া কিছু চেকও পরে বাউন্স করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইটি সেক্টরে কর্মসংস্থান নিরাপত্তা ও কর্পোরেট দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেক কর্মী দাবি করছেন, তাদের বেতন ও অন্যান্য পাওনা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks