'Purification' Row: উত্তরাখণ্ডের হলদিওয়ানির রামলীলা ময়দানে জনসভার পর 'শুদ্ধিকরণ' বিতর্ক নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের একাংশের নীরবতায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্বয়ং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)। বুধবার রাজধানীতে আয়োজিত কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির (CWC) বৈঠকে দলের প্রবীণ নেতাদের সামনেই নিজের এই অসন্তোষের কথা সরাসরি তুলে ধরেন তিনি।

সংবাদমাধ্যম 'এনডিটিভি' সূত্রে খবর, বৈঠকে উপস্থিত দলীয় নেতাদের উদ্দেশে মল্লিকার্জুন খাড়গে জানান, জনসভার স্থান 'শুদ্ধিকরণ'-এর মতো সংবেদনশীল ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দলের অনেক সিডব্লিউসি সদস্যই প্রকাশ্যে তাঁর সমর্থনে এগিয়ে আসেননি-যা তাঁকে গভীরভাবে 'আহত' করেছে। সূত্র মারফত জানা গেছে, বৈঠকে খাড়গে নির্দিষ্ট কোনও নেতার নাম নেননি ঠিকই, তবে তাঁর শারীরিক ভাষা ও বক্তব্যের ধরনেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে দলের শীর্ষস্তরের কিছু নেতার এই নীরবতায় তিনি কতটা ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হয়েছেন।
গত ৮ অগাস্ট ভোটমুখী উত্তরাখণ্ডের হলদিওয়ানির রামলীলা ময়দানে সভা করেন কংগ্রেস সভাপতি। দুই দিন পর অর্থাৎ ১০ অগাস্ট রীতিমতো পুজো অর্চনা করে ওই সভাস্থলে শুদ্ধিকরণ করায় একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। 'শ্রী রাম সেনা' নামের ওই সংগঠনের শুদ্ধিকরণের ছবি-ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় সরিয়ে পড়তেই আসরে নামে কংগ্রেস। তাঁদের দাবি, মল্লিকার্জুন খাড়গে দলিত হওয়ায় তাঁর সভাস্থল শুদ্ধিকরণ করছে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। সিডব্লিউসি-র (CWC) বৈঠকের শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে 'শুদ্ধিকরণ' বিতর্ক নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল। তিনি স্পষ্ট জানান যে এই ঘটনা সম্পূর্ণ 'অগ্রহণযোগ্য' ও 'নিন্দনীয়' এবং তা আদতে বিজেপির সংকীর্ণ মানসিকতাকেই ফুটিয়ে তোলে।
কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, যারা ওই 'শুদ্ধিকরণ' আচার পালন করেছিল, তাদের সঙ্গে সরাসরি বিজেপি ও আরএসএস-এর (RSS) যোগসূত্র রয়েছে। এটি তাদের গভীর 'দলিত-বিরোধী মানসিকতা'রই বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেছে হাত শিবির। তবে এর বিপরীতে, সংশ্লিষ্ট ডানপন্থী সংগঠনের ওই কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ দূরে সরিয়ে রেখেছে শাসকদল বিজেপি এবং তারাও ওই শুদ্ধিকরণের নিন্দা করেছে বলে দাবি তাদের। এর আগে বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে সংসদের উচ্চকক্ষেও এই ইস্যুটি তুলে ধরেছিলেন খোদ কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। গত বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় খাড়গে বলেন, ‘আমি বিষয়টার রাজনীতিকরণ করতে চাইনি। কখনও কারও কাছে ভিক্ষা চাইনি যে, আমি দলিত, আমাকে রক্ষা করুন। নিজের জন্য লড়াই করার শক্তি আমার আছে। কিন্তু হালদোয়ানিতে যে ভাবে আমার অনুষ্ঠানের পরে মঞ্চের শুদ্ধিকরণ হয়েছে, তাতে আমি অস্পৃশ্যতার ইঙ্গিত পেয়েছি, আর তাতেই সবচেয়ে বেশি অপমানিত হয়েছি। আমি চাই, অস্পৃশ্যতা বিরোধী আইনে মামলা করে এই ঘটনার বিচার হোক। অপরাধীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হোক।’
{{/usCountry}}কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, যারা ওই 'শুদ্ধিকরণ' আচার পালন করেছিল, তাদের সঙ্গে সরাসরি বিজেপি ও আরএসএস-এর (RSS) যোগসূত্র রয়েছে। এটি তাদের গভীর 'দলিত-বিরোধী মানসিকতা'রই বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেছে হাত শিবির। তবে এর বিপরীতে, সংশ্লিষ্ট ডানপন্থী সংগঠনের ওই কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ দূরে সরিয়ে রেখেছে শাসকদল বিজেপি এবং তারাও ওই শুদ্ধিকরণের নিন্দা করেছে বলে দাবি তাদের। এর আগে বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে সংসদের উচ্চকক্ষেও এই ইস্যুটি তুলে ধরেছিলেন খোদ কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। গত বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় খাড়গে বলেন, ‘আমি বিষয়টার রাজনীতিকরণ করতে চাইনি। কখনও কারও কাছে ভিক্ষা চাইনি যে, আমি দলিত, আমাকে রক্ষা করুন। নিজের জন্য লড়াই করার শক্তি আমার আছে। কিন্তু হালদোয়ানিতে যে ভাবে আমার অনুষ্ঠানের পরে মঞ্চের শুদ্ধিকরণ হয়েছে, তাতে আমি অস্পৃশ্যতার ইঙ্গিত পেয়েছি, আর তাতেই সবচেয়ে বেশি অপমানিত হয়েছি। আমি চাই, অস্পৃশ্যতা বিরোধী আইনে মামলা করে এই ঘটনার বিচার হোক। অপরাধীদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হোক।’
{{/usCountry}}জবাবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন, ‘খাড়গেজির কথা শুনে খুবই দুঃখ পেলাম। বিজেপি এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে কখনওই সমর্থন করে না। আমরা অবশ্যই এই ঘটনার তদন্ত করাব।’