সদ্য যোগীগড় উত্তর প্রদেশের কানপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে অঙ্কিত শাঙ্খওয়ার নামে এক যুবককে। ২৪ বছরের অঙ্কিতের বিরুদ্ধে রয়েছে গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগ রয়েছে, অঙ্কিত ভুয়ো ইমেল আইডি বানিয়ে তা বিক্রি করত। আর পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ বিশ্বের নানান দেশে থাকা অনেককে সেই ভুয়ো ইমেল আইডি বিক্রি করত অঙ্কিত। জানা যাচ্ছে, ওই সমস্ত ভুয়ো ইমেল আইডি থেকেই নয়ডা, গুরুগ্রাম, দিল্লি এনসিআর, মুম্বইয়ের স্কুলগুলিতে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হত।

কানপুরের ঘাতমপুর এলাকার বাসিন্দা অঙ্কিতকে গ্রেফতারির সময় ল্যাপটপ আর ফোন উদ্ধার হয়েছে। ল্যাপটপে থাকা এক্সেল শিট-এ প্রায় ৫ লাখ ইমেল আইডি উদ্ধার হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণভাবে smithjohnson6889@gmail.com নামের একটি ইমেল আইডিও ওই নথি থেকে উদ্ধার হয়েছে। এই ইমেল আইডি থেকে মুম্বইয়ের মেয়রের অফিসে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয় গত ২৩ অক্টোবর। এছাড়াও দিল্লি এনসিআর-এ দিলজিৎ দোসাঞ্জের অনুষ্ঠানে বোমা হামলার হুমকি, এক বলিউড স্টারের বাড়িতে হামলার হুমকি দেওয়া কিছু মেইল আইডি-ও অঙ্কিতের নথি থেকে উদ্ধার হয়। গুরুগ্রাম সহ একাধিক এলাকার স্কুলে নির্দিষ্টভাবে smithjohnson6889@gmail.com এই ইমেল আইডি থেকে হুমকি মেল আসছিল। তার সূত্র খুঁজে বের করতেই তদন্তে নামে পুলিশ। ওই মেল আইডি গুলির সঙ্গে খলিস্তান ন্যাশনাল আর্মি ও বব্বর খালসারও যোগ পাওয়া যায়। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই মেইল আইডি ঘিরে তল্লাশি শুরু করতেই, এলাকা হিসাবে কানপুরের নাম উঠে আসে। এরপরই তদন্তের সূত্র ধর অঙ্কিতের কাছে পৌঁছে যায় পুলিশ।
অঙ্কিতের এই ভুয়ো মেইল আইডি তৈরির কারবার ২০২১ সাল থেকে চলছে। সে নিজের পরিচিতি লুকোতে ওয়াইফাই আর প্রক্সি নেটওয়ার্কের সাহায্য নিত। আর এই সমস্ত ভুয়ো আইডি সে বিক্রি করত ফেসবুক গ্রুপের দ্বারা। তার যোগাযোগ ছিল পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মিশর, তুরস্কের একাধিক গোষ্ঠী ও ব্যক্তির সঙ্গে। এমনই সমস্ত অভিযোগ রয়েছে অঙ্কিতের বিরুদ্ধে। তাকে জেরা করে আরও বেশ কিছু দেশের নাম জানা গিয়েছে। অভিযুক্ত অঙ্কিত এই কারবার চালিয়ে টাকা পেত বিনান্স ক্রিপ্টো ওয়ালেট দিয়ে।তদন্ত বলছে, বাংলাদেশের আলমিন ইসলাম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে অঙ্কিতের যোগাযোগ হয়। ফেসবুক ও পরে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এই যোগাযোগ হয়। আলমিনের থেকে ৬ হাজার মার্কিন ডলার টেথার পেয়েছিল অঙ্কিত।
{{/usCountry}}অঙ্কিতের এই ভুয়ো মেইল আইডি তৈরির কারবার ২০২১ সাল থেকে চলছে। সে নিজের পরিচিতি লুকোতে ওয়াইফাই আর প্রক্সি নেটওয়ার্কের সাহায্য নিত। আর এই সমস্ত ভুয়ো আইডি সে বিক্রি করত ফেসবুক গ্রুপের দ্বারা। তার যোগাযোগ ছিল পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মিশর, তুরস্কের একাধিক গোষ্ঠী ও ব্যক্তির সঙ্গে। এমনই সমস্ত অভিযোগ রয়েছে অঙ্কিতের বিরুদ্ধে। তাকে জেরা করে আরও বেশ কিছু দেশের নাম জানা গিয়েছে। অভিযুক্ত অঙ্কিত এই কারবার চালিয়ে টাকা পেত বিনান্স ক্রিপ্টো ওয়ালেট দিয়ে।তদন্ত বলছে, বাংলাদেশের আলমিন ইসলাম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে অঙ্কিতের যোগাযোগ হয়। ফেসবুক ও পরে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এই যোগাযোগ হয়। আলমিনের থেকে ৬ হাজার মার্কিন ডলার টেথার পেয়েছিল অঙ্কিত।
{{/usCountry}}