...
...
Next Story

National Defence Academy: চার দশকের বন্ধুত্ব থেকে দেশের সুরক্ষার শীর্ষে! এনডিএ-র দুই সহপাঠীই সেনা ও বায়ুসেনা প্রধান

National Defence Academy: একজন টেস্ট পাইলট এবং ফ্লাইং ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে ৩,৫০০ ঘণ্টারও বেশি বিমান চালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিতের। তিনি মিরাজ-২০০০ স্কোয়াড্রন, পশ্চিমাঞ্চলের একটি ফাইটার বেস এবং একটি শীর্ষস্থানীয় ফাইটার প্রশিক্ষণ ঘাঁটির নেতৃত্ব দিয়েছেন।

Published on: Oct 8, 2026, 11:53:57 IST
Advertisement

National Defence Academy: চার দশকেরও বেশি সময় আগে ভারতের ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি (NDA) থেকে একসঙ্গে পাস আউট হয়েছিলেন দুই তরুণ ক্যাডেট। আজ তাঁরা দু'জনেই দেশের দুই প্রধান সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ পদে আসীন। ১৯৮৫ সালের তেমনই একটি ঐতিহাসিক ছবি সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল হয়েছে—যেখানে তাঁদের সামরিক জীবনের একেবারে শুরুর দিকের ঝলক ধরা পড়েছে।

চার দশকের বন্ধুত্ব থেকে দেশের সুরক্ষার…, NDAর দুই সহপাঠীই সেনা ও বায়ুসেনা প্রধান (ছবি সৌজন্যে এক্স @sushilskinner)
চার দশকের বন্ধুত্ব থেকে দেশের সুরক্ষার…, NDAর দুই সহপাঠীই সেনা ও বায়ুসেনা প্রধান (ছবি সৌজন্যে এক্স @sushilskinner)

এই দুই সেনা আধিকারিক হলেন চিফ অব আর্মি স্টাফ (COAS) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ এবং ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরবর্তী প্রধান এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত। তবে এটি শুধু তাঁদের অসাধারণ নেতৃত্বের গল্প নয়; সময়ের কঠিন পরীক্ষা ও নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে আসা অটুট বন্ধুত্বেরও এক অনন্য উপাখ্যান। বহুল প্রচারিত এই ছবিতে ৬৯তম কোর্সের তরুণ দুই পাস আউট ক্যাডেটকে ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এনডিএ চত্বর ছেড়ে বেরোতে দেখা যাচ্ছে। সেই সময় তাঁদের বয়স ছিল সম্ভবত ১৯ বা ২০ বছর। তখন কেউই হয়তো কল্পনা করতে পারেননি যে চার দশক পর এই দুই সহপাঠীই ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাবেন। আজ তাঁদের একজন ভারতীয় সেনাবাহিনীর কমান্ড সামলাচ্ছেন, অন্যজন দেশের বিমানবাহিনীর নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।

২০২৬ সালের ৩০ জুন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৩১তম প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। অন্যদিকে আগামী ৩১ অক্টোবর এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিংয়ের স্থলাভিষিক্ত হয়ে বিমানবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত। এনডিএ-তে থাকাকালীন এই দুই তরুণ ক্যাডেট ছিলেন 'ফক্সট্রট স্কোয়াড্রন'-এর সদস্য—যা কমিশনের পূর্ববর্তী প্রশিক্ষণের অন্যতম প্রধান স্কোয়াড্রন হিসেবে পরিচিত। সামরিক ইতিহাসে সম্ভবত এটিই প্রথম ঘটনা, যেখানে একই এনডিএ কোর্স ও একই স্কোয়াড্রনের দুই সহপাঠী একই সঙ্গে সেনাপ্রধান ও বিমানবাহিনী প্রধানের পদে অধিষ্ঠিত হচ্ছেন। পরবর্তীকালে ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান শাখায় (কম্ব্যাট স্ট্রিম) কমিশন পান এয়ার মার্শাল দীক্ষিত। একজন টেস্ট পাইলট এবং ফ্লাইং ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে ৩,৫০০ ঘণ্টারও বেশি বিমান চালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে এয়ার মার্শাল দীক্ষিতের। তিনি মিরাজ-২০০০ স্কোয়াড্রন, পশ্চিমাঞ্চলের একটি ফাইটার বেস এবং একটি শীর্ষস্থানীয় ফাইটার প্রশিক্ষণ ঘাঁটির নেতৃত্ব দিয়েছেন। এয়ার মার্শাল অশুতোষ দীক্ষিত ‘ইন্টিগ্রেটেড ডিফেন্স স্টাফ’-এ ‘চিফ অফ ইন্টিগ্রেটেড ডিফেন্স স্টাফ’ (CISC) এবং ‘সেন্ট্রাল এয়ার কমান্ড’-এর ‘এয়ার অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিচালন ও কৌশলগত পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও 'অপারেশন সফেদ সাগর' ও 'অপারেশন রক্ষকে' নেতৃত্ব দেন তিনি।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks