...
...
Next Story

Ghaziabad News: যৌতুকে চাই গাড়ি-৩০ লক্ষ টাকা! বধূকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, মৃত্যু

Ghaziabad News: ঘটনার রাতে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন। সেখানে বধূকে ছাদ থেকে নিচে পড়ে যেতে দেখা গিয়েছে।

Published on: Sep 13, 2026, 23:11:38 IST
Advertisement

Ghaziabad News: বিয়ের যৌতুকে গাড়ি এবং নগদ টাকার দাবিতে এক গৃহবধূকে ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। ১০ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে এফআইআর দায়ের ও দু’জনকে আটক করে তদন্ত শুরু করেছে।

গাজিয়াবাদে বধূকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, মৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)
গাজিয়াবাদে বধূকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, মৃত্যু (সৌজন্যে টুইটার)

পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের মুরদনগরের বাসিন্দা ছিলেন ২৩ বছরের ওই তরুণী। ঘটনার রাতে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন। সেখানে বধূকে ছাদ থেকে নিচে পড়ে যেতে দেখা গিয়েছে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (ডিসিপি) সুরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় মুরদনগর থানা এফআইআর দায়ের করেছে। তরুণীর স্বামী ও শ্বশুরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অভিযোগ, পণের টাকা দিতে না-পারায় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তরুণীকে ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে দিয়েছেন। ধৃত দু’জনকে শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে বলে জানান ডিসিপি।

ডিসিপি আরও জানান, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, তরুণী ছাদ থেকে পড়ে যাচ্ছেন। সেই মুহূর্তে স্থানীয়েরা কয়েক জন তাঁর সামনে জড়ো হন। বাড়ির ভিতর থেকে একজনকে ছুটে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় গার্হস্থ্য হিংসা, পণের জন্য মৃত্যু, ইচ্ছাকৃত আঘাতের মামলা রুজু করেছে। স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির চার জনের নাম এফআইআরে রয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত বধূর বাড়ি ছিল গৌতম বুদ্ধ নগরের ভাঙ্গেল এলাকায়। চলতি বছরের মার্চ মাসে ওই দম্পতির বিয়ে হয়েছিল। এফআইআরের তথ্য অনুযায়ী, পণের দাবির জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁদের বিয়ে বাতিলও হয়ে যায়। ফের গত ২৩ মার্চ আইনি বিয়ে সারেন যুগল। এফআইআরে নিহত তরুণীর ভাই জানিয়েছেন, 'বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই ওর স্বামী একটি স্করপিও এসইউভি এবং ৩০ লক্ষ টাকা পণের দাবি তোলে। এর জন্য আমার বোনের ওপর লাগাতার মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং মারধর করা হতো... গত ৭ সেপ্টেম্বর রাতে আমার বোন আমাকে ফোন করে জানায় যে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা ওকে মারধর করছে, এরপরই ফোনটি কেটে যায়। কিছুক্ষণ পর বোনের স্বামী ফোন করে জানায় যে ও ছাদ থেকে পড়ে গেছে এবং আমাদের হাসপাতালে যেতে বলে। গত ১০ সেপ্টেম্বর চিকিৎসকরা ওকে মৃত ঘোষণা করেন। আমার ও পরিবারের দৃঢ় বিশ্বাস, শ্বশুরবাড়ির লোকেরাই ওকে বেধড়ক মারধর করে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিয়েছে।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks