CJP Meeting: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডকে ঘিরে প্রথম আন্দোলনেই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। কেন্দ্রীয় সরকার তাদের সমস্ত দাবি মেনে নিয়েছে, যার ফলস্বরূপ শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে হয়েছে। এই সাফল্যের পর সংগঠনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নির্ধারণ করার জন্য মহারাষ্ট্রে দুই দিনের এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন সিজেপি নেতৃত্ব। আর সেই বৈঠকেই সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

বুধবার মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ দীপকে জ্বালানিতে সরকারের ইথানল-মিশ্রণ নীতি নিয়ে উদ্বেগ, দেশে ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব এবং ঝাড়খণ্ডে পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং স্টাফ সিলেকশনের বিভিন্ন পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলা ছাত্র আন্দোলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে তিনি জোরালোভাবে তুলে ধরেন। দীর্ঘদিন ধরেই ককরোচ জনতা পার্টির পুরোদস্তুর রাজনৈতিক দল হিসেবে ভোটের ময়দানে পা রাখা নিয়ে জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনারও জবাব দিয়েছেন অভিজিৎ দীপকে। তিনি বলেন, 'এই মুহূর্তে সিজেপি প্রেশার গ্রুপ হিসেবে কাজ করবে। এটাই এখন ভারতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।'
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে সফল আন্দোলনের পর সিজেপি-র ভবিষ্যৎ কী, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছিল। কৌতুহলও তৈরি হয়েছে অভিজিৎ দীপকেদের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে। সেই নিয়েই এদিন মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে একটি কোর কমিটি বৈঠক বসে সিজেপি-র। ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ নিয়ে সেখানে আলোচনা করেন নেতৃত্ব। অনুমান করা হচ্ছিল, বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার কথা ঘোষণা করতে পারেন অভিজিৎ দীপকে। তবে তেমনটা হয়নি। দীপকে বলেন, 'যে সকল যুবক-যুবতী কিংবা সমাজের অন্যান্য স্তরের মানুষ আমাদের আন্দোলন সমর্থন করেছিলেন, তাঁদের ভরসা উঠে গিয়েছে রাজনৈতিক দল, বিচারব্যবস্থা এমকী নির্বাচন কমিশনের উপর থেকে। যখনই তাঁরা কোনও রাজনৈতিক দল বা নেতাকে সমর্থন করেছেন, তাঁরা অন্য দলে যোগ দিয়েছেন বা সেই দলই ভাঙানো হয়েছে। ফলত এই মুহূর্তে রাজনীতি নয় বৃহত্তর আন্দোলনের প্রয়োজন রয়েছে।'
অভিজিৎ দীপকে জানান, দেশের যে প্রান্তেই ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের অধিকার নিয়ে আন্দোলন করছেন, তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবে সংগঠন। প্রয়োজন হলে ঝাড়খণ্ডেও প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়টি বৈঠকে আলোচনা করা হবে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন। সংগঠনের লক্ষ্য শুধু একটি নির্দিষ্ট রাজ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা দেশে ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সক্রিয় হওয়া। সেই কারণে দিল্লির বাইরে বিভিন্ন রাজ্যেও সাংগঠনিক উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে সংগঠনের মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, সিজেপি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং তৃণমূল স্তরের আন্দোলন হিসেবে কাজ করবে। তাঁর কথায়, 'ইতিমধ্যেই অনেক রাজনৈতিক দল রয়েছে। মানুষের যদি এখনও কষ্ট, যন্ত্রণা ও উদ্বেগ থাকে, তার মানে এর সমাধান কোনও রাজনৈতিক দল নয়। এর সমাধান হলো তৃণমূল স্তরের আন্দোলন, একটি জাগরণ। আর সিজেপি ঠিক সেটাই করছে।' একইসঙ্গে সৌরভ দাস জানিয়েছেন, সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে মেন্টর হিসেবে সম্মান দিয়ে তাঁর থেকে যাবতীয় পরামর্শ নেবে সিজেপি।
{{/usCountry}}অভিজিৎ দীপকে জানান, দেশের যে প্রান্তেই ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের অধিকার নিয়ে আন্দোলন করছেন, তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবে সংগঠন। প্রয়োজন হলে ঝাড়খণ্ডেও প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়টি বৈঠকে আলোচনা করা হবে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন। সংগঠনের লক্ষ্য শুধু একটি নির্দিষ্ট রাজ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা দেশে ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সক্রিয় হওয়া। সেই কারণে দিল্লির বাইরে বিভিন্ন রাজ্যেও সাংগঠনিক উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে সংগঠনের মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, সিজেপি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং তৃণমূল স্তরের আন্দোলন হিসেবে কাজ করবে। তাঁর কথায়, 'ইতিমধ্যেই অনেক রাজনৈতিক দল রয়েছে। মানুষের যদি এখনও কষ্ট, যন্ত্রণা ও উদ্বেগ থাকে, তার মানে এর সমাধান কোনও রাজনৈতিক দল নয়। এর সমাধান হলো তৃণমূল স্তরের আন্দোলন, একটি জাগরণ। আর সিজেপি ঠিক সেটাই করছে।' একইসঙ্গে সৌরভ দাস জানিয়েছেন, সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে মেন্টর হিসেবে সম্মান দিয়ে তাঁর থেকে যাবতীয় পরামর্শ নেবে সিজেপি।
{{/usCountry}}জানা গিয়েছে, পরবর্তী বড় পদক্ষেপ করার আগে দেশজুড়ে জেন জি সমর্থকদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন সিজেপি নেতৃত্ব। সিজেপি একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই বর্তমানে বৃহত্তর কণ্ঠস্বরে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক অতীতে এত বড় আন্দোলন সংগঠনকারী প্ল্যাটফর্ম আর হয়নি। তবে আপাতত তাদের ভবিষ্যৎ স্পষ্ট। সিজেপি জানিয়ে দিয়েছে, রাজনৈতিক মঞ্চ নয় তারা প্রেশার গ্রুপ হিসেবেই কাজ করবে আপাতত। সাংগঠনিক স্তরে সংস্কার, প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং যুব সম্প্রদায়ের স্বার্থে কাজ করবে।