...
...
Next Story

CJP on Gyanesh Kumar: 'ইটস ডান ব্রো!’ কমিশনের অন্তর্কলহে জ্ঞানেশকে তোপ দীপকের, ফের পথে নামছে 'আরশোলা'রা?

CJP on Gyanesh Kumar: সৌরভ দাস জানিয়েছেন, পূর্ব নির্ধারিত সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করছে তাঁরা। এই মুহূর্তে ‘ভারতের গণতন্ত্রকে হাইজ্যাক’ করে নেওয়ার চেয়ে বড় ইস্যু আর কিছু হতে পারে না। তাঁরা সাংবাদিক বৈঠক করে নিজেদের পরবর্তী পদক্ষেপ জানাবেন।

Published on: Sep 24, 2026, 13:37:22 IST
Advertisement

CJP on Gyanesh Kumar: ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া থেকে শুরু করে অন্তর্ভুক্তি, ফর্ম বদল এবং পশ্চিমবঙ্গের ভোটারের নাম পুনর্বহালের আপিল—নির্বাচন কমিশনের বেশ কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত ঘিরে খোদ কমিশনের অন্দরেই তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত এই রিপোর্ট ঘিরে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি। এই আবহে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) একহাত নিলেন ককরোচ জানাতে পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke)। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে সংস্কার ঘটানোর দাবিতে ফের রাস্তায় নামার ইঙ্গিত দিলেন অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা।

নির্বাচন কমিশনের অন্তর্কলহে জ্ঞানেশ কুমারকে তোপ অভিজিৎ দীপকের (HT_PRINT)
নির্বাচন কমিশনের অন্তর্কলহে জ্ঞানেশ কুমারকে তোপ অভিজিৎ দীপকের (HT_PRINT)

নিট প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলনে নামে সিজেপি। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ আদায় করেই আন্দোলনের ময়দান ছাড়ে তারা। বর্তমানে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার পরিকাঠামো তদারকি করছে তারা। এবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পথে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে সিজেপি। বলা হয়েছে, দেশের যাবতীয় সমস্যার সঙ্গে নির্বাচনের বড় যোগসূত্র রয়েছে। তাই বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে তারা। এই প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিজিৎ দীপকে লেখেন, ‘নির্বাচন কমিশনের সংস্কার জরুরি। কাল দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক। জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো।' শুধু তাই নয়, এ নিয়ে ফের বিক্ষোভের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে সৌরভ দাস জানিয়েছেন, পূর্ব নির্ধারিত সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করছে তাঁরা। এই মুহূর্তে ‘ভারতের গণতন্ত্রকে হাইজ্যাক’ করে নেওয়ার চেয়ে বড় ইস্যু আর কিছু হতে পারে না। তাঁরা সাংবাদিক বৈঠক করে নিজেদের পরবর্তী পদক্ষেপ জানাবেন। সৌরভ দাস লেখেন, ‘আমাদের ভোট চুরি হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন যেখানে কম্প্রোমাইজড, সেখানে আর কিছুই হওয়ার নেই।'

যদিও বিতর্কের মধ্যে কমিশন জানিয়েছে, 'নির্বাচন কমিশন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে। কোনও বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে ভিন্ন মত থাকা অস্বাভাবিক নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই ধরনের আলোচনা ও মতবিনিময় হয়। কমিশনের ৩ সদস্যের পাশাপাশি অন্য আধিকারিকরাও নিজেদের মতামত স্বাধীনভাবে জানাতে পারেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় ঐক্যবদ্ধভাবেই।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks