Abhijeet Dipke Latest Update: ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র ডাকা ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এরই মধ্যে সিজেপি দাবি করেছে, আন্দোলন শুরুর পর এই প্রথম কেন্দ্র সরকার তাদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও এই দাবি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিজেপির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে কোন মন্ত্রী বা কোন সরকারি আধিকারিক এই উদ্যোগ নিয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সরকারও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।
সিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই নিট-সহ বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করছে। তাদের অভিযোগ, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একের পর এক অনিয়ম হলেও সরকার কোনও দায় স্বীকার করছে না।
এদিকে, ছাত্রদের দাবিতে অনশন চালিয়ে যাওয়া সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। বর্তমানে তিনি দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ওয়াংচুক জানিয়েছেন, যদি সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তোলা হয় এবং সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে, তাহলে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি।
তিনি আরও বলেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে যদি তিনি সংসদ অভিযানে যোগ দিতে না পারেন, তাহলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাংসদরা হাসপাতালে এসে তাঁকে আশ্বাস দিতে পারেন যে বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করা হবে। এমন আশ্বাস পেলেই তিনি অনশন ভাঙার কথা বিবেচনা করবেন।
অন্যদিকে, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অভিজিৎ দীপকে দাবি করেছেন, সোমবারের ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি দেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় গণআন্দোলনে পরিণত হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের গণতন্ত্রকে দুর্বল করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু যন্তর মন্তরে এক মাস ধরে চলা আন্দোলনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ আবার গণতন্ত্রের পক্ষে রাস্তায় নেমেছেন।
{{/usCountry}}অন্যদিকে, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অভিজিৎ দীপকে দাবি করেছেন, সোমবারের ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি দেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় গণআন্দোলনে পরিণত হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের গণতন্ত্রকে দুর্বল করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু যন্তর মন্তরে এক মাস ধরে চলা আন্দোলনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ আবার গণতন্ত্রের পক্ষে রাস্তায় নেমেছেন।
{{/usCountry}}তিনি আরও দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ দিল্লিতে পৌঁছেছেন। যন্তর মন্তরের চারপাশের রাস্তা আন্দোলনকারীদের ভিড়ে ভরে গেছে। তাঁর কথায়, কোনও বাধাই তাঁদের সংসদের দিকে এগিয়ে যাওয়া আটকাতে পারবে না। তবে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দিল্লি পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। যন্তর মন্তর, সংসদ ভবন এবং রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন দিল্লি জেলায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে, যার ফলে নির্দিষ্ট এলাকায় জমায়েত ও মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার সচিন শর্মা জানিয়েছেন, এই মিছিলের জন্য পুলিশের কাছে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি এবং অনুমতি দেওয়াও হয়নি। তাই আইন ভাঙার চেষ্টা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে। এখন নজর রয়েছে, সরকার সত্যিই আলোচনায় বসে কি না এবং ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি ঘিরে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়।