Anti-EC March In Delhi: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন' (SIR) প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার হতে চলেছে। আগামী ২৩ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে, প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ এবং ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা ও ঐশী ঘোষের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের।অভিনেতা তথা সমাজকর্মী প্রকাশ রাজ, কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত এবং লেখক তুষার গান্ধীকেও এই পদযাত্রায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। শুক্রবার দেশের অন্যান্য প্রান্তেও সমান্তরালভাবে এই কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে।
ছাত্র, যুবক, কৃষক, শ্রমিক, নারী, দলিত, আদিবাসী, সংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং রূপান্তরকামী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে গত ১৪ অক্টোবর গঠিত ‘পিপল এগেইনস্ট এসআইআর’ নামের যৌথ মঞ্চ এই আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। ‘পিপল এগেইনস্ট এসআইআর’ মঞ্চের তরফে শুক্রবার একটি দীর্ঘ ‘জনতার মার্চ’-এর আয়োজন করা হয়েছে। তবে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল মিছিলটির জন্য পুলিশের অনুমতি নেওয়া হয়নি। ফলে কর্মসূচিটি কেন্দ্র করে দিল্লির রাজপথ ফের উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উল্লেখ্য, আগের বিক্ষোভ কর্মসূচিগুলির জেলে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় জারি হয়েছিল ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা, যা এখনও বলবৎ রয়েছে।
গত ১৮ অক্টোবর এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছিল, এই কর্মসূচিটির নাম 'গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য জনগণের পদযাত্রা।' তাদের সাফ কথা, এর জন্য কোথাও পুলিশের অনুমতির আবেদন করা হবে না। একইসঙ্গে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের উপর বলপ্রয়োগ না করার বিষয়ে তারা পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও সতর্ক করে দিয়েছে। সংগঠনটির স্লোগান হল - 'হর গলি যন্তর মন্তর, হর গাঁও যন্তর মন্তর, মেরা ঘর যন্তর মন্তর।' এই মিছিলে 'ইন্ডিয়া' জোটকেও তারা আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলে খবর। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আমন্ত্রিতদের তরফে অংশগ্রহণের কোনও আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ‘পিপল এগেইনস্ট এসআইআর’-এর বক্তব্য, মিছিলটি কনট প্লেসের বাংলা সাহিব গুরুদ্বার থেকে শুরু হবে। শেষ হবে প্যাটেল চকের কাছে অবস্থিত নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে। সংগঠনটি জানিয়ে দিয়েছে, পুলিশ যদি তাদের পথ আটকায়, তাহলে বিক্ষোভকারীরা সেখানেই 'জন-সংসদ' (পিপলস পার্লামেন্ট)-এর আয়োজন করবেন। গাওয়া হবে জাতীয় সংগীত।
গত ১৪ অক্টোবর ভোটার তালিকার 'বিশেষ নিবিড় সংশোধন' (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে ঐক্যের মঞ্চ তৈরি করে নাগরিক সমাজ। দিল্লির হরকিষেণ সিং সুরজিৎ ভবনে ২০০টিরও বেশি সিভিল সোসাইটি সংস্থা, গণসংগঠন এবং প্রবীণ বুদ্ধিজীবীদের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই যৌথ বৈঠক থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে 'পিপল এগেইনস্ট এসআইআর - অ্যান অল ইন্ডিয়া প্ল্যাটফর্ম।' এই যৌথ মঞ্চের অভিযোগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের' এই এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বেআইনি। তাদের দাবি, ভোটার তালিকাকে ২০২৪ সালের পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে এবং নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব নির্দেশিকা ও সিএজি (CAG) নিয়ম মেনে সোশ্যাল অডিটের মাধ্যমে তালিকা হালনাগাদ করতে হবে। একই সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও তাঁর বিরুদ্ধে আইনি বিচার দাবি করেছে মঞ্চটি।
{{/usCountry}}গত ১৪ অক্টোবর ভোটার তালিকার 'বিশেষ নিবিড় সংশোধন' (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে ঐক্যের মঞ্চ তৈরি করে নাগরিক সমাজ। দিল্লির হরকিষেণ সিং সুরজিৎ ভবনে ২০০টিরও বেশি সিভিল সোসাইটি সংস্থা, গণসংগঠন এবং প্রবীণ বুদ্ধিজীবীদের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই যৌথ বৈঠক থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে 'পিপল এগেইনস্ট এসআইআর - অ্যান অল ইন্ডিয়া প্ল্যাটফর্ম।' এই যৌথ মঞ্চের অভিযোগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের' এই এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বেআইনি। তাদের দাবি, ভোটার তালিকাকে ২০২৪ সালের পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে এবং নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব নির্দেশিকা ও সিএজি (CAG) নিয়ম মেনে সোশ্যাল অডিটের মাধ্যমে তালিকা হালনাগাদ করতে হবে। একই সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও তাঁর বিরুদ্ধে আইনি বিচার দাবি করেছে মঞ্চটি।
{{/usCountry}}