ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপির ডাকে দিল্লিতে চলছে ধরনা কর্মসূচি। নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দাবিতে সরব বিক্ষওভকারী যুব-জনতা। তাতে শামিল হয়েছেন অনেকেই। এদিকে, প্রতিবাদের মাঝেই সিজেপির নেতা অভিজিত দিপকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি প্রতিবাদ সভা থেকে সাময়িক বিরতি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টও করেছেন তিনি। অন্যদিকে, হাসপাতালে ভর্তি থেকে অনশনে রয়েছেন সোনাম ওয়াংচুক। তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী আংমো এদিন সরব হন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধীদের ধরনার বিরুদ্ধে।

এদিন প্রতিবাদ সভা থেকে অসুস্থতার কারণে সাময়িক বিরতি নিয়েছেন সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে জানিয়েছেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে আমি জ্বর ও তীব্র শরীর ব্যথায় ভুগছি, তবে পেইন কিলার ওষুধ খেয়ে কোনওমতে চালিয়ে নিচ্ছিলাম। আজ যদি আমাকে যন্তর মন্তরে না দেখেন, তবে দয়া করে ক্ষমা করবেন। সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য আমার কয়েক ঘণ্টা বিশ্রামের প্রয়োজন। সন্ধ্যার মধ্যেই আমি আবার প্রতিবাদস্থলে ফিরে আসব।’ পোস্টটি দ্রুত সাড়া ফেলে দেয়। তাঁর অসুস্থতা ঘিরে স্বভাবতই অনেকের মধ্যেই উদ্বেগের সঞ্চার হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের প্রতিবাদ- ধরনার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অনশনরত সমাজকর্মী সোনাম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলী। ‘ইন্ডিয়া টুডে’-র সাথে এক সাক্ষাৎকারে আংমো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ দেখানোর পরিবর্তে রাজনৈতিক নেতাদের উচিত ছিল দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, ওয়াংচুকের ভাবমূর্তিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে, তাঁর মতে, মানুষ আন্তরিক উদ্যোগ এবং কেবল প্রতীকী পদক্ষেপের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে সক্ষম। সাক্ষাৎকারে গীতাঞ্জলী বলেন,'প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে আয়োজিত প্রতিবাদে আন্তরিকতার অভাব ছিল। জনসাধারণকে আর বোকা বানানো যাবে না। এটি এখন এক জাগ্রত ভারত। যারা আন্তরিক নয়, যুবসমাজ তাদের ছুঁড়ে ফেলে দেবে।' সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার সময় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবন,৭, লোক কল্যাণ মার্গের কাছে রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের অন্যান্য নেতাদের আটক করার মধ্য দিয়ে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।