শুক্রবার দিল্লির কনাট প্লেসে অভিজিৎ দিপক দিয়েছিলেন ‘লেহরাদো তিরঙ্গা’ যাত্রার ডাক দিয়েছিলেন সেদিন বিকেল ৫ টায়। ঠিক ৫ টার আগেই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা ও নেতা দীপকেকে আটক করে পুলিশ। তাঁকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়, তা নিয়ে ব্যাপক রহস্য ঘনায়। দীপকের টিম দাবি করে, কোনও অজানা স্থানে দীপকেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে, শুক্রবার আটকের পর শনিবারই দীপকে, শর্ত সাপেক্ষে জামিনে পাচ্ছেন মুক্তি। শনিবার স্পেশ্যাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের নির্দেশে শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন দীপকে। তাঁকে এক বন্ডে স্বাক্ষর করার নির্দেশ দিয়েছে কোর্ট।

জানা গিয়েছে, কোর্টের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে স্বাক্ষর করার নির্দেশ কোর্ট দিয়েছে দীপকেকে। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ১২৬ এবং ১৭০ ধারা অনুযায়ী, দীপকে এক বছর শান্তি বজায় রাখা সহ মুচলেকার (বন্ড) শর্তাবলী মেনে চলতে হবে। এর আগে, শুক্রবার, কনট প্লেসে প্রধান সিজেপির ' লেহরা দো তিরঙ্গা' প্রতিবাদ মিছিলের আগে শুক্রবার দীপকেকে প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেয় দিল্লি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে বিএনএসএস-এর ১২৬ এবং ১৭০ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মিছিলের আগে ২০ জনেরও বেশি পুলিশ সদস্য দীপকের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে দুটি নোটিশ দেন। এদিন, স্পেশ্যাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের জারি করা দ্বিতীয় নোটিশে দীপকে এবং সিজেপি-র সহ-নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার ওপর আরোপিত বন্ডের শর্তাবলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে পুনর্ব্যক্ত করা হয় যে, এই তিনজনকে পূর্বে প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নিয়ে আদালতে হাজির করা হয়েছিল, যেখানে আদালত তাঁদের এক বছরের জন্য শান্তি ও সদ্ব্যবহার বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে, ১০ই অক্টোবর, একটি পরিকল্পিত বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রাক্কালে দীপকে, দাস ও রাঙ্কাকে প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেওয়া হয় এবং দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকায় অবস্থিত বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হয়েছিল।
{{/usCountry}}এর আগে, ১০ই অক্টোবর, একটি পরিকল্পিত বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রাক্কালে দীপকে, দাস ও রাঙ্কাকে প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেওয়া হয় এবং দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকায় অবস্থিত বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হয়েছিল।
{{/usCountry}}এদিকে, শুক্রবার আইসা নেত্রী নেহা বোরাকেও আটক করে পুলিশ। পরে শনিবার তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত কয়েকদিনে সিজেপির আন্দোলনের হাত ধরে সরগরম হয় দিল্লি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলে আন্দোলন। পরবর্তীতে ১৬ অক্টোবর সিজেপি ডাক দেয় ‘লেহরাদো তিরঙ্গা’ যাত্রার। সেই দিনই আটক হন দীপকে ও বোরা।