...
...
Next Story

Abhijit Dipke Latest Update: সীমান্ত পেরিয়ে অভিজিৎ দীপকের কাছে চিঠি! CJP’র লড়াইয়ে অনুপ্রাণিত লাহোরের যুবক

চিঠিটি লিখেছেন লাহোরের তরুণ সমাজকর্মী এহতেশাম হাসান। নিউজ ওয়েবসাইট ‘স্ক্রল’-এ প্রকাশিত ওই চিঠিতে তিনি অভিজিৎকে উদ্দেশ্য করে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। বেকারত্ব, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশার কথাও উঠে এসেছে তাঁর লেখায়।

Published on: Aug 21, 2026, 10:49:58 IST
Advertisement

সীমান্ত পেরিয়ে এ বার চিঠি এল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের কাছে। পাকিস্তানের লাহোর থেকে পাঠানো এই চিঠিতে উঠে এসেছে ভারতের পেপার লিক বিরোধী আন্দোলন। এসেছে পাকিস্তানের তরুণদের সমস্যার কথাও। দুই দেশের যুবসমাজের লড়াইয়ের মধ্যে মিল খুঁজেছেন চিঠির লেখক।

সীমান্ত পেরিয়ে এ বার চিঠি এল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের কাছে।
সীমান্ত পেরিয়ে এ বার চিঠি এল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের কাছে।

চিঠিটি লিখেছেন লাহোরের তরুণ সমাজকর্মী এহতেশাম হাসান। নিউজ ওয়েবসাইট ‘স্ক্রল’-এ প্রকাশিত ওই চিঠিতে তিনি অভিজিৎকে উদ্দেশ্য করে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। বেকারত্ব, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশার কথাও উঠে এসেছে তাঁর লেখায়।

এহতেশাম লিখেছেন, তিনি লাহোর থেকে অভিজিৎকে চিঠি লিখছেন। তাঁর কথায়, লাহোর এমন একটি শহর, যার বাতাসের সঙ্গে দিল্লিরও অনেক মিল রয়েছে। তিনি নিজেকে এমন এক প্রজন্মের অংশ বলে উল্লেখ করেছেন, যারা দীর্ঘ সময় ধরে নানা চাপের মধ্যে বড় হয়েছে।

ভারতে সিজেপি-র আন্দোলনের খবর দেখে তাঁর নিজের জীবনের সঙ্গে তার মিল খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এহতেশাম। তাঁর মতে, সীমান্তের দু’পারে বসবাস করলেও তরুণদের অনেক সমস্যাই একই। শিক্ষা। চাকরি। ভবিষ্যৎ। আর নিজের কথা বলার অধিকার।

চিঠিতে ভারতের প্রধান বিচারপতি বিচারপতি সূর্যকান্তের নামও এসেছে। এহতেশাম অভিযোগ করেছেন, মে মাসে একটি শুনানির সময় বেকার তরুণদের বোঝাতে ‘ককরোচ’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকেও তিনি তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে যুক্ত করেছেন।

অভিজিৎ দীপক মূলত পেপার লিক এবং শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আন্দোলনের কারণে আলোচনায় আসেন। দিল্লির যন্তর মন্তরে তাঁর নেতৃত্বে বিক্ষোভের পর সিজেপি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়। বর্তমানে সংগঠনের তরফে দেশজুড়ে ‘স্কুল ঠিক করো’ অভিযান চালানো হচ্ছে।

এহতেশাম লিখেছেন, ভারতীয় তরুণদের অন্তত কিছুটা বেশি স্বাধীনতা রয়েছে। তাঁরা প্রকাশ্যে সমালোচনা করতে পারেন। আন্দোলন করতে পারেন। নিজেদের ক্ষোভকে রাজনৈতিক প্রচারের ভাষা দিতে পারেন। তাঁর মতে, পাকিস্তানে এমন সুযোগ অনেক ক্ষেত্রেই সীমিত।

চিঠির লেখকের বক্তব্যে কিছুটা আক্ষেপও রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, অভিজিতের আন্দোলনের ডিজিটাল পৌঁছনো দেখে পাকিস্তানের তরুণদেরও মনে প্রশ্ন জাগে। তাঁদের হাতেও যদি এমন একটি মঞ্চ থাকত, তা হলে তাঁরা কত দূর যেতে পারতেন!

তবে এই আক্ষেপকে তিক্ততা হিসেবে দেখেননি এহতেশাম। বরং তিনি এটিকে আশার জায়গা বলেই তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, সিজেপি-র আন্দোলন পাকিস্তানের তরুণদের কাছে একই সঙ্গে সতর্কবার্তা এবং অনুপ্রেরণা।

সীমান্তের রাজনীতি ও দুই দেশের টানাপড়েনের মাঝে এই চিঠি তাই অন্য এক ছবি সামনে এনেছে। সেখানে ভারত-পাকিস্তানের পার্থক্যের বদলে গুরুত্ব পেয়েছে দুই দেশের তরুণদের সাধারণ সমস্যা। বেকারত্ব। শিক্ষার সংকট। ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা। আর নিজের কথা বলার অধিকার।

অভিজিৎ দীপকের কাছে আসা এই চিঠি তাই শুধু একটি ব্যক্তিগত বার্তা নয়। দুই দেশের যুবসমাজের মধ্যে এক ধরনের অদৃশ্য সংযোগের কথাও মনে করিয়ে দিচ্ছে। যেখানে সীমান্ত আলাদা। কিন্তু সমস্যার ভাষা অনেকটাই এক।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe