...
...
Next Story

Adani Power Plant: আদানির ইউনিট বন্ধে ঘোর অন্ধকার! বাংলাদেশে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে লোডশেডিং

Adani Power Plant: পিডিবির সদস্য জহুরুল ইসলাম স্পষ্ট জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বিদ্যুতের এই বাড়তি চাপের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ আদানির ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়া।

Published on: Apr 24, 2026, 20:00:18 IST
Advertisement

Adani Power Plant: বাংলাদেশে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। তার সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে লোডশেডিং। তীব্র গরমে লোডশডিং বাড়ায় জনজীবন নাজেহাল। শহরের তুলনায় গ্রামে লোডশেডিং ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আর ওপার বাংলার লোডশেডিং বাড়ার কারণ হিসেবে জানা গেছে, ঝাড়খণ্ডে আদানি পাওয়ার প্লান্টের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় চাপ আরও বেড়েছে। ফলে লোডশেডিংয়ের মাত্রাও বেড়েছে।

বাংলাদেশে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে লোডশেডিং (সৌজন্যে টুইটার)
বাংলাদেশে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে লোডশেডিং (সৌজন্যে টুইটার)

বাংলাদেশে মঙ্গলবার যেখানে দিনের সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৪৪ মেগাওয়াট, বুধবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৯৫ মেগাওয়াটে। বিদ্যুৎ বিভাগের দুই দিনের তথ্য অনুযাযী, জাতীয় পর্যায়ে চাহিদা ও সরবরাহের ফারাক বেড়েছে। গড় লোডশেডিংও ২.৯ ঘণ্টা থেকে বেড়ে ৩.৭ ঘণ্টায় দাঁড়িয়েছে। আর এই চাপ সবচেয়ে বেশি পড়েছে পল্লী বিদ্যুৎনির্ভর এলাকায়। বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) জহুরুল ইসলাম বলেন, 'গতকাল (বুধবার) থেকে একটু বেড়ে গিয়েছে, আড়াই হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি চলে গেছে।' এই সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আদানির পাওয়ার প্ল্যান্টের দুই নম্বর মেশিনটা বন্ধ হয়ে গেছে। যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য বন্ধ হয়েছে।' তিনি জানান, 'ইউনিটটি মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে বন্ধ হয়। সেটি মেরামত করে আবার চালু করতে ৩ থেকে ৪ দিন লাগতে পারে।'

পিডিবির সদস্য জহুরুল ইসলাম স্পষ্ট জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বিদ্যুতের এই বাড়তি চাপের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ আদানির ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়া। তাঁর কথায়, 'আমাদের কাছে এই মুহূর্তে অন্য কোনও মেশিন নেই। জ্বালানিরও কিছু সমস্যা, কিছু ঘাটতি আছে, স্লোনেস আছে, যার জন্য লোড শেড হচ্ছে।' তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশি খরচের ডিজেল চালিত কেন্দ্রও চালু রাখা হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছুটা ধরে রাখতে খুলনায় ২২৭ মেগাওয়াট অতিরিক্ত উৎপাদন যোগ করা হয়েছে। হরিপুর ও সিদ্ধিরগঞ্জের ইউনিট চালানো হয়েছে। চাঁদপুরে রক্ষণাবেক্ষণে থাকা একটি ইউনিটেও ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদন করা হচ্ছে। শাহজীবাজারে একটি ইউনিটের কাজ পিছিয়ে শুক্রবারে নেওয়া হয়েছে, যাতে অন্তত পরীক্ষার সময় সরবরাহে চাপ কিছুটা কমানো যায়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe