কাবুলে পাকিস্তানি হামলার কড়া নিন্দা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন আফগানিস্তানের তারকা ক্রিকেটার রশিদ খান। এই হামলাকে 'যুদ্ধাপরাধ' আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রসংঘের কাছে তদন্তের আবেদন জানান রশিদ। এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে রশিদ বলেন, তিনি আফগান মানুষের পাশে আছেন। রশিদের কথায়, এই হামলায় বিভাজন এবং একে অপরের প্রতি ঘৃণা আরও বাড়ছে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এই ক্ষত সেরে ফের উঠে দাঁড়াবে আফগানিস্তান।

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে রশিদ লেখেন, 'কাবুলে পাকিস্তানি বিমান হামলায় সাধারণ মানুষ হতাহত হয়েছেন। এই খবরে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। ইচ্ছাকৃতভাবে হোক বা ভুলবশত, সাধারণ মানুষের বাড়িঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা চিকিৎসা পরিকাঠামোর ওপর হামলা করা যুদ্ধাপরাধ। মানব জীবনের প্রতি এই চরম অবহেলা, বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে... এটা অত্যন্ত জঘন্য এবং গভীরভাবে উদ্বেগজনক। এটি কেবল বিভেদ ও ঘৃণাকেই উস্কে দেবে। আমি রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে আবেদন করছি, এই সাম্প্রতিক নৃশংসতার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হোক এবং অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হোক। এই কঠিন সময়ে আমি আমার আফগান জনগণের পাশে আছি। আমরা এই ক্ষত সারিয়ে তুলব এবং একটি জাতি হিসেবে আমরা ঘুরে দাঁড়াব। আমরা সবসময়ই তা করি। ইনশাআল্লাহ।'
উল্লেখ্য, সোমবার গভীর রাতে আফগানিস্তানে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। কাবুলের এক হাসপাতালে আছড়ে পড়ে পাকিস্তানি মিসাইল। এর জেরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৪০০ জনের। জখম আরও কমপক্ষে ২৫০ জন। তালিবান সরকারের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পাকিস্তানি হামলায় হাসপাতালের একটা বড় অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছে তালিবান সরকার। সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ এক্স হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি আফগানিস্তানের সীমান্ত লঙ্ঘন। তিনি বলেন, নিহত ও আহতদের বেশিরভাগই মাদকাসক্তির কারণে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি অবশ্য হাসপাতালে হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, 'কাবুলের কোনও হাসপাতালে হামলা করা হয়নি। যেখানে অভিযান চালানো হয়েছে, সেখানে গোলাবারুদ মজুদ রাখা হত। সন্ত্রাসবাদীদের যেখান থেকে সাহায্য করা হত, সেই জায়গাগুলিকে নিশানা করা হয়েছে।' উল্লেখ্য, এই দফায় টানা তিন সপ্তাহ ধরে চলছে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার এই সংঘাত।
{{/usCountry}}এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি অবশ্য হাসপাতালে হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, 'কাবুলের কোনও হাসপাতালে হামলা করা হয়নি। যেখানে অভিযান চালানো হয়েছে, সেখানে গোলাবারুদ মজুদ রাখা হত। সন্ত্রাসবাদীদের যেখান থেকে সাহায্য করা হত, সেই জায়গাগুলিকে নিশানা করা হয়েছে।' উল্লেখ্য, এই দফায় টানা তিন সপ্তাহ ধরে চলছে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার এই সংঘাত।
{{/usCountry}}