পাকিস্তানের সঙ্গে ডুরান্ড লাইনকে কেন্দ্র করে আফগানিস্তানের সংঘাত বেশ কিছু মাস পার করে গিয়েছে। সদ্য আফগান সীমান্ত বরাবর পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীকে টার্গেট করে। এরপর পাল্টা আফগানিস্তানে পাকিস্তানি বাহিনীর হামলা দেখা যায়। এই সংঘাতের মাঝে আফগানিস্তানের মন্ত্রী নুরুল্লা নুরির তরফে আসে তাবড় হুঙ্কার।

আফগান জনগণের ধৈর্যের পরীক্ষা না নেওয়ার জন্য পাকিস্তানকে সতর্ক করেছেন আফগানিস্তানের তালিবানি মন্ত্রী নুরি। আফগানিস্তানের তালিবান শাসকের মন্ত্রী নুরী দাবি করেছেন যে, ইসলামিক আমিরাত চাইলে দুই দিনের মধ্যেই পাকিস্তানের পেশোয়ারে আফগান পতাকা উত্তোলন করা যেতে পারে। নিউজ ১৮র রিপোর্ট বলছে, কাবুলে এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে নুরি বলেন, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাকে আফগানিস্তানকে ঐতিহাসিক, আদর্শগত, রাজনৈতিক ও বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বুঝতে হবে। আফগানিস্তানের অতীতের সংঘাতের কথা উল্লেখ করে তালিবান মন্ত্রী সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রসহ দেশটিতে যুদ্ধ করা প্রধান শক্তিগুলোর পরিণতির দিকে ইঙ্গিত করেছেন। তালিবানি মন্ত্রীর দাবি যে, সামরিক শক্তি থাকা সত্ত্বেও এই শক্তিগুলো আফগানিস্তানে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে এবং তিনি পাকিস্তানকে দেশটি বা এর জনগণকে অবমূল্যায়ন না করার জন্য সতর্ক করেন।
পাকিস্তানকে সতর্ক করার সময় নুরী আরও এক ধাপ এগিয়ে যান এবং যেকোনও হুমকির জবাব দেওয়ার তালিবানের সক্ষমতার কথা বলতে গিয়ে পেশোয়ারের প্রসঙ্গ তোলেন। তালিবানের মন্ত্রী দাবি করেছেন যে, ইসলামিক আমিরাত চাইলে দুই দিনের মধ্যে পেশোয়ারে আফগান পতাকা উত্তোলন করা যেতে পারে। আফগানিস্তানের তালিবানের মন্ত্রী নুরি বলছেন, আফগানিস্তান তার প্রতিবেশীদের সঙ্গে সংঘাত চায় না, কিন্তু হুমকি পেলে তার জবাব দেবে।
পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল ও চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস আসিম মুনির পেশাওয়ারে সেনার সদর দপ্তর পরিদর্শন এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি, সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী অভিযান ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ব্রিফিং দেওয়ার ঠিক পরপরই, আফগানিস্তানের মন্ত্রীর এই সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো সামনে এল। প্রায় ২,৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনার পর সর্বশেষ এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। পাকিস্তান বলছে, আফগান ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলার জন্য দায়ী, অন্যদিকে তালিবান প্রশাসন এই ধরনের গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছে।
{{/usCountry}}পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল ও চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস আসিম মুনির পেশাওয়ারে সেনার সদর দপ্তর পরিদর্শন এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি, সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী অভিযান ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ব্রিফিং দেওয়ার ঠিক পরপরই, আফগানিস্তানের মন্ত্রীর এই সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো সামনে এল। প্রায় ২,৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনার পর সর্বশেষ এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। পাকিস্তান বলছে, আফগান ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলার জন্য দায়ী, অন্যদিকে তালিবান প্রশাসন এই ধরনের গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছে।
{{/usCountry}}