Layoff news: উৎসবের মরশুমে কর্মীদের জন্য অশনিসংকেত। ফের বড়সড় চাকরি সঙ্কটের মুখে ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন (Amazon) । সংস্থার অন্দরমহলের খবর অনুযায়ী, অ্যামাজনের বিভিন্ন টিম থেকে প্রায় এক হাজার কর্মীর চাকরি গিয়েছে। আর নতুন করে ছাঁটাইয়ের খবর ছড়াতেই সংস্থার কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। অনেকেই এখন নিজেদের চাকরি, ছাঁটাই-পরবর্তী সুবিধা এবং সংস্থার ভিতরে অন্য চাকরি পাওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
বুধবার অ্যামাজন ছাঁটাইয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সর্বশেষ এই ছাঁটাই গত বছর শুরু হওয়া বড় কর্মী ছাঁটাইয়ের ধারাবাহিকতার অংশ। ওই সময় প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছিল অ্যামাজন, যা চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এবারের ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়া কয়েকজন কর্মী অভ্যন্তরীণ স্ল্যাক চ্যানেলে দেওয়া এ-সংক্রান্ত পোস্টও শেয়ার করেছেন। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, এবার এক হাজারেরও কম শ্বেতপোশাকধারী কর্মীকে চাকরি থেকে বাদ দিয়েছে অ্যামাজন। এর আগে বিজনেস ইনসাইডারও এই ছাঁটাইয়ের খবর প্রকাশ করেছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ভারত এবং ব্রিটেনেও কিছু কর্মী এই ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়েছেন। নতুন ছাঁটাই মূলত অ্যামাজনের স্টোরস বিজনেসের বিভিন্ন অংশে হয়েছে। কাস্টমার সার্ভিস, মার্কেটপ্লেস সাপোর্ট এবং রিটেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বিভাগেও কর্মীরা প্রভাবিত হয়েছেন বলে রিপোর্টে জানা গিয়েছে।
কী বলছেন অ্যামাজন?
অ্যামাজনের এক মুখপাত্র ইমেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের স্টোরস ব্যবসার কিছু অংশে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই কাঠামো আমাদের অগ্রাধিকারগুলো বাস্তবায়নে আরও কার্যকরভাবে সহায়তা করবে।’ অ্যামাজন মুখপাত্র আরও জানিয়েছেন, গ্রাহকদের অগ্রাধিকার ও প্রতিষ্ঠানের বর্তমান লক্ষ্য আরও ভালোভাবে বাস্তবায়নের জন্য অনলাইন দোকান বিভাগের কিছু কাঠামো পরিবর্তন করা হয়েছে। এর ফলে কয়েকটি পদ বিলুপ্ত করার কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের পরিবর্তনের সময় সহায়তা করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। তবে কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিমাণ নিয়ে অ্যামাজন নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেনি।
অ্যামাজনের কর্মী ছাঁটাই
বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একজন ব্যক্তি বিজনেস ইনসাইডার-কে জানিয়েছেন, এক হাজারের কম কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। এই ছাঁটাই গত বছর থেকে চলা বড় কর্মী ছাঁটাইয়ের ধারাবাহিকতা। এর আগে অ্যামাজন প্রায় ৩০,০০০ পদ কমানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস বুধবার সম্প্রচারিত ফক্স নিউজের এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মহামারির সময় অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগের কারণেই পরবর্তী সময়ে কর্মী সংখ্যা কমানোর প্রয়োজন হয়েছে। আগের দফায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে বেজোস বলেন, মহামারির সময় মানুষ ঘরে অবস্থান করছিলেন এবং ব্যাপকভাবে অনলাইনে পণ্য কিনছিলেন। ফলে ওই সময় অ্যামাজনের জন্য পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত চাপপূর্ণ। বেজোস বলেন, ‘পুরো দল অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং অনেক কিছু করেছে। কিন্তু আমরা সত্যিই আমাদের কর্মীর সংখ্যা অনেক বাড়িয়ে ফেলেছিলাম।’ মহামারির সময় অনলাইন কেনাকাটা বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি চাহিদা সামাল দিতে দ্রুত কর্মী নিয়োগ করেছিল অ্যামাজন। পরবর্তী সময়ে ব্যবসার কাঠামো ও চাহিদায় পরিবর্তন আসায় ধাপে ধাপে কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনছে প্রতিষ্ঠানটি।
{{/usCountry}}বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একজন ব্যক্তি বিজনেস ইনসাইডার-কে জানিয়েছেন, এক হাজারের কম কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। এই ছাঁটাই গত বছর থেকে চলা বড় কর্মী ছাঁটাইয়ের ধারাবাহিকতা। এর আগে অ্যামাজন প্রায় ৩০,০০০ পদ কমানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস বুধবার সম্প্রচারিত ফক্স নিউজের এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মহামারির সময় অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগের কারণেই পরবর্তী সময়ে কর্মী সংখ্যা কমানোর প্রয়োজন হয়েছে। আগের দফায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে বেজোস বলেন, মহামারির সময় মানুষ ঘরে অবস্থান করছিলেন এবং ব্যাপকভাবে অনলাইনে পণ্য কিনছিলেন। ফলে ওই সময় অ্যামাজনের জন্য পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত চাপপূর্ণ। বেজোস বলেন, ‘পুরো দল অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং অনেক কিছু করেছে। কিন্তু আমরা সত্যিই আমাদের কর্মীর সংখ্যা অনেক বাড়িয়ে ফেলেছিলাম।’ মহামারির সময় অনলাইন কেনাকাটা বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি চাহিদা সামাল দিতে দ্রুত কর্মী নিয়োগ করেছিল অ্যামাজন। পরবর্তী সময়ে ব্যবসার কাঠামো ও চাহিদায় পরিবর্তন আসায় ধাপে ধাপে কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনছে প্রতিষ্ঠানটি।
{{/usCountry}}