...
...
Next Story

Meat :‘দুর্গাপুজোর নবমী, দশমীর প্রসাদ হল মাংস,কোনও নাক গলানো…’,বাগেশ্বর বাবা ইস্যুতে শমীকের পর এবার মোদীর উপদেষ্টা সরব

প্রধানমন্ত্রী মোদীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা সঞ্জীব সন্যাল তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘শাক্ত হিন্দুমতের কেন্দ্রে রয়েছে মাংস।’

Published on: Sep 7, 2026, 19:35:28 IST
Advertisement

দুর্গাপুজোর সময় মাংস না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সদ্য বাগেশ্বর বাবা ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। তাঁর বক্তব্যের পরই তুঙ্গে চর্চা রয়েছে। এদিন বিজেপির রাজ্য প্রধান শমীক ভট্টাচার্য স্বামী বিবেকানন্দের প্রসঙ্গ টেনে বাগেশ্বর বাবার ওই বক্তব্যের পাল্টা বক্তব্য রাখেন। এদিকে, ইন্টারনেটে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে আলোচনা চরমে। তারই মাঝে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা সঞ্জীব সন্যাল দুর্গাপুজোয় মাংস খাওয়া ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তুলে ধরেন বাঙালি ঐতিহ্যের কথা।

‘দুর্গাপুজোর নবমী, দশমীতে প্রসাদে মাংস হয়, কোনও নাক গলানো…’এবার PMর উপদেষ্টা সঞ্জীব সন্যাল সরব
‘দুর্গাপুজোর নবমী, দশমীতে প্রসাদে মাংস হয়, কোনও নাক গলানো…’এবার PMর উপদেষ্টা সঞ্জীব সন্যাল সরব

প্রধানমন্ত্রী মোদীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা সঞ্জীব সন্যাল তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘শাক্ত হিন্দুমতের কেন্দ্রে রয়েছে মাংস। এটি মা দুর্গা আর কালীকে প্রসাদে অর্পণ করা পুরনো প্রথা। দুর্গাপুজোর নবমী, দশমীতে ভক্তরা যে প্রসাদ খান, তা মাংস। এই পবিত্র প্রথায় কোনওরকমের নাক গলানো বরদাস্ত করা হবে না।’ প্রসঙ্গত, দুর্গাপুজোয় সন্ধিপুজোর সময় বহু জায়গাতেই ছাগ বলির প্রথার কথা শোনা যায়। বহু বনেদী বাড়িতেই দেবীকে দুর্গাপুজোয় প্রসাদে অর্পণ করা হয় আমিষ। এই প্রেক্ষাপটে দুর্গাপুজোর সময় মাংস না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে তুমুল হইচই সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইতিমধ্যেই বিজেপির রাজ্য সম্পাদক শমীক ভট্টাচার্য ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘নবমীতে বাঙালি পাঁঠার মাংস খায়। আর অষ্টমীতে লুচি খায়। সেইটাই খাবে।’ এরই সঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘আর বাগেশ্বর বাবা অন্য দুনিয়ার মানুষ। ওঁর অনেক ভক্ত আছেন, গোটা দেশে ওঁর ভক্ত আছেন। আমিও গিয়েছিলাম ওঁর সঙ্গে দেখা করতে। ওঁর চেহারায় আলাদা গ্লো আছে। নমষ্কার করেছি। আমায় ওড়না পরিয়েছেন। কিন্তু বাংলার মানুষ কী খাবেন কী খাবেন না সেটা বলার অধিকার নেই। উনি ওঁর মত বলতেই পারেন। কিন্তু সেটা আমরা মানব কি না সেটা আমাদের ব্যাপার।’ শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, ‘বাঙালি গুরুত্ব দেবে কি দেবে না কী সেটা তাদের ব্যাপার। এখন নিরামিষ খাওয়ার জন্য অনেকেই প্রচার চালাচ্ছেন। চিকিৎসকরাও বলছেন। কিন্তু আপনি আপনার বাড়িতে কী খাবেন সেটা কোনও সাধু নির্ধারিত করবেন? রাজনৈতিক দল ঠিক করবে? বাঙালি মাংস খাবে না? মাছ খাবে না? আরে বিবেকানন্দ বলে গেছেন, তার উপরে কে আছেন?’ শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, ‘এখনও বিবেকানন্দের উপরে উঠলে বিপজ্জনক। বাগেশ্বর বাবা শুধু আবেদন করেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী মোদীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা কাউন্সিলে বর্তমানে সদস্য হিসাবে রয়েছেন সঞ্জীব সন্যাল। কলকাতার সেন্ট জিভিয়ার্স ও সেন্ট জেমস স্কুলের প্রাক্তন এই ছাত্র, পরবর্তীতে দিল্লিতে শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্সে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে তিনি অক্সফোর্ডের সেন্ট জনস কলেজের ছাত্র ছিলেন। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি ভারতের অর্থ মন্ত্রকের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হন এবং এই পদে থাকাকালীন ‘ইকোনমিক সার্ভে অফ ইন্ডিয়া’-র (ভারতের অর্থনৈতিক সমীক্ষা) ছয়টি সংস্করণ প্রস্তুত করতে সহায়তা করেন। (তথ্য সূত্র- উইকিপিডিয়া)

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe