FIFA World Cup: বৃহস্পতিবারই ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর আর্থিক লাভের পরিকল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছিল উয়েফা। তারা জানিয়েছিল, বিশ্বকাপের বেসরকারিকরন হলে তারা বিশ্বকাপসহ ফিফার কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে না। এবার একই সুরে সুর মেলাল উত্তর-মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ফুটবল সংস্থা কনকাকাফ। উয়েফা জানিয়েছে, এই প্রস্তাব তারা মানছে না। আর এই সিদ্ধান্তের জেরে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেনের মতো বড় দেশগুলির পাশাপাশি ব্রাজিল, আর্জেন্টিনার মতো দেশগুলিও বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে। ফলে বিশ্ব ফুটবলে নতুন করে শুরু হয়েছে টানাপোড়েন।
জিয়ান্নি ইনফান্তিনো চান ফিফার একটি বাণিজ্যিক সংস্থা বানাতে। এর ফলে বেসরকারি বিনিযোগকারীদের কাছে বিক্রি করতে চান ফিফাকে। ফিফা 'ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ' নামে ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের একটি নতুন প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এই প্রতিষ্ঠানের ২০ শতাংশ শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা হবে। ফিফার দাবি, এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর উন্নয়ন অনুদান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব হবে। তবে এর বদলে ওই বিনিয়োগকারী সংস্থা ভবিষ্যতের বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ত্ব, স্পনসরশিপ ও বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নিয়েও কথা বলতে পারবে। এই বিনিয়োগের পিছনে রয়েছেন মার্কিন ব্যবসায়ী জোশুয়া কুশনার। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনারের ভাই। ইনফান্তিনোর দাবি ছিল, এই পরিকল্পনা কার্যকর হলে ২০৩৭ সাল অবধি ফিফার ২১০টি সদস্য দেশের প্রতিটি ৮কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ পাবে। ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সদস্য দেশগুলিকে এই প্রস্তাবে ভোট দিতে বলা হয়েছিল।
তবে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দুই কনফেডারেশন। এর আগে উয়েফা জানিয়েছে, বিতর্কিত এই প্রস্তাব অনুমোদন পেলে ইউরোপের ৫৫টি সদস্য দেশ বিশ্বকাপ-সহ ফিফার সব প্রতিযোগিতা বর্জনের পথে হাঁটতে পারে। এবার কনকাকাফ-এর ৪১টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিরাও বৈঠক শেষে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে। সংস্থার দাবি, পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। পাশাপাশি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অস্বাভাবিকভাবে কম সময় দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর যথাযথ পর্যালোচনাও হয়নি। আবার এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি শেখ সলমন বিন ইব্রাহিম আল খলিফাও এই পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, সব মহাদেশের সমর্থন ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত সফল হওয়া সম্ভব নয়। ফলে ইউরোপের ৫৫টি ও আমেরিকার ৪১টি- মোট ৯৬টি দেশের বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে। এর জেরে আগামী মার্চে ফিফা সভাপতি নির্বাচনের আগে ইনফান্তিনো আরও বিপাকে পড়লেন বলে আশা করছে ফুটবল মহল। এদিকে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, এই প্রস্তাব অনুমোদন হলে সদস্য দেশগুলোর জন্য উন্নয়ন অনুদান বাড়ানো হবে। তবে তা না হলে অনুদানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
{{/usCountry}}তবে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দুই কনফেডারেশন। এর আগে উয়েফা জানিয়েছে, বিতর্কিত এই প্রস্তাব অনুমোদন পেলে ইউরোপের ৫৫টি সদস্য দেশ বিশ্বকাপ-সহ ফিফার সব প্রতিযোগিতা বর্জনের পথে হাঁটতে পারে। এবার কনকাকাফ-এর ৪১টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিরাও বৈঠক শেষে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে। সংস্থার দাবি, পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। পাশাপাশি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অস্বাভাবিকভাবে কম সময় দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর যথাযথ পর্যালোচনাও হয়নি। আবার এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি শেখ সলমন বিন ইব্রাহিম আল খলিফাও এই পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, সব মহাদেশের সমর্থন ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত সফল হওয়া সম্ভব নয়। ফলে ইউরোপের ৫৫টি ও আমেরিকার ৪১টি- মোট ৯৬টি দেশের বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে। এর জেরে আগামী মার্চে ফিফা সভাপতি নির্বাচনের আগে ইনফান্তিনো আরও বিপাকে পড়লেন বলে আশা করছে ফুটবল মহল। এদিকে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, এই প্রস্তাব অনুমোদন হলে সদস্য দেশগুলোর জন্য উন্নয়ন অনুদান বাড়ানো হবে। তবে তা না হলে অনুদানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
{{/usCountry}}আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ফিফার ২১১ সদস্য দেশের ভোটে নির্ধারিত হবে এই প্রস্তাবের ভবিষ্যৎ। তবে উয়েফার পর কনকাকাফের বিরোধিতায় বিতর্কিত পরিকল্পনাটি পাস করানো এখন ফিফার জন্য আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।