...
...
Next Story

Pakistan spied on Indian weapon: অপারেশন সিঁদুরে কুপোকাত হতেই ভারতের এই অস্ত্রটির খোঁজে 'স্পাই' লাগিয়েছিল পাকিস্তান!

বায়ুসেনার এয়ার মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) জিতেন্দ্র মিশ্র বলছেন, ' এই এস-৪০০ গুলো কোথায় আছে তা খুঁজে বের করতে পাকিস্তানিরা মরিয়া হয়ে উঠেছিল।'

Published on: Aug 27, 2026, 20:17:40 IST
Advertisement

পহেলগাঁও হামলার পাল্টা জবাবে পাকিস্তানের বুকে ভারতীয় সেনার 'অপারেশন সিঁদুর' কে ঘিরে এবার এক বিস্ফোরক বার্তা উঠে এল ভারতের বায়ুসেনার এয়ার মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) জিতেন্দ্র মিশ্রর তরফে। তিনি সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেন গতবছরের অপারেশন সিঁদুরকে ঘিরে বেশ কিছু তথ্য।

Op সিঁদুরে কুপোকাত হতেই ভারতের এই অস্ত্রটির খোঁজে 'স্পাই' লাগিয়েছিল পাকিস্তান!
Op সিঁদুরে কুপোকাত হতেই ভারতের এই অস্ত্রটির খোঁজে 'স্পাই' লাগিয়েছিল পাকিস্তান!

সাক্ষাৎকারে বায়ুসেনার এয়ার মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) জিতেন্দ্র মিশ্র বলছেন, ' এই এস-৪০০ গুলো কোথায় আছে তা খুঁজে বের করতে পাকিস্তানিরা মরিয়া হয়ে উঠেছিল। তারা সম্ভাব্য সব উপায় ব্যবহার করেছিল। তারা অন্যান্য দেশ থেকেও স্যাটেলাইটের সাহায্য পাচ্ছিল।' উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানি বায়ুসেনাকে নাস্তানাবুদ করেছিল ভারতের এস৪০০ সুদর্শন চক্র। ভারতের সীমান্ত পার করে ২০০ কিলোমিটারের ভিতর পাকিস্তানের বায়ুসেনা দাঁত ফোটাতে পারেনি ভারতের অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা এই এস৪০০-র জন্য। সেই ঘটনা নিয়ে বলতে গিয়ে ভারতের এই অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল বলছেন, 'যতবারই তারা (পাকিস্তান) আকাশে উড়তে যেত, এস-৪০০ থেকে তাদের ওপর গুলি চালানো হতো। তাদের মতে, এস-৪০০-ই ছিল সবচেয়ে বড় হুমকি। এস-৪০০ গুলো কোথায় অবস্থিত, তা খুঁজে বের করার জন্য তারা ভারতের ভেতরেও গুপ্তচর (স্পাই) এবং স্লিপার সেল সক্রিয় করেছিল।' উল্লেখ্য, জিতেন্দ্র মিশ্র তাঁর বক্তব্যে জানিয়েছেন যে, ভারতের এস৪০০-র অবস্থান জানতে পাকিস্তানকে সাহায্য করেছিল এক ভিন দেশ। কোন দেশ সেটি! নাম বলেননি এয়ার মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) মিশ্র। সেই দেশ কি ভারতের কোনও প্রতিবেশী দেশ, প্রশ্নটা থেকে যাচ্ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe