পহেলগাঁও হামলার পাল্টা জবাবে পাকিস্তানের বুকে ভারতীয় সেনার 'অপারেশন সিঁদুর' কে ঘিরে এবার এক বিস্ফোরক বার্তা উঠে এল ভারতের বায়ুসেনার এয়ার মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) জিতেন্দ্র মিশ্রর তরফে। তিনি সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেন গতবছরের অপারেশন সিঁদুরকে ঘিরে বেশ কিছু তথ্য।

সাক্ষাৎকারে বায়ুসেনার এয়ার মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) জিতেন্দ্র মিশ্র বলছেন, ' এই এস-৪০০ গুলো কোথায় আছে তা খুঁজে বের করতে পাকিস্তানিরা মরিয়া হয়ে উঠেছিল। তারা সম্ভাব্য সব উপায় ব্যবহার করেছিল। তারা অন্যান্য দেশ থেকেও স্যাটেলাইটের সাহায্য পাচ্ছিল।' উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানি বায়ুসেনাকে নাস্তানাবুদ করেছিল ভারতের এস৪০০ সুদর্শন চক্র। ভারতের সীমান্ত পার করে ২০০ কিলোমিটারের ভিতর পাকিস্তানের বায়ুসেনা দাঁত ফোটাতে পারেনি ভারতের অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা এই এস৪০০-র জন্য। সেই ঘটনা নিয়ে বলতে গিয়ে ভারতের এই অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল বলছেন, 'যতবারই তারা (পাকিস্তান) আকাশে উড়তে যেত, এস-৪০০ থেকে তাদের ওপর গুলি চালানো হতো। তাদের মতে, এস-৪০০-ই ছিল সবচেয়ে বড় হুমকি। এস-৪০০ গুলো কোথায় অবস্থিত, তা খুঁজে বের করার জন্য তারা ভারতের ভেতরেও গুপ্তচর (স্পাই) এবং স্লিপার সেল সক্রিয় করেছিল।' উল্লেখ্য, জিতেন্দ্র মিশ্র তাঁর বক্তব্যে জানিয়েছেন যে, ভারতের এস৪০০-র অবস্থান জানতে পাকিস্তানকে সাহায্য করেছিল এক ভিন দেশ। কোন দেশ সেটি! নাম বলেননি এয়ার মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) মিশ্র। সেই দেশ কি ভারতের কোনও প্রতিবেশী দেশ, প্রশ্নটা থেকে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ভারতের ‘সুদর্শন চক্র’ হিসেবে পরিচিত এস-৪০০ (S-400) হল একটি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, যা দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। উন্নত রাডার ও শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র বা বিমানকে মাঝপথে ধ্বংস করার (ইন্টারসেপশন) সক্ষমতা থাকায়, এস-৪০০ অনেক দূর থেকেই আকাশপথে ধেয়ে আসা যেকোনও হুমকি শনাক্ত করে তা ভূপাতিত করতে পারে। ২০১৮ সালে ভারত ও রাশিয়া পাঁচটি এস-৪০০ (S-400) সিস্টেমের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। এর মধ্যে তিনটি ইতিমধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে এবং ভারতীয় বিমানবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চলতি বছরের জুন মাসে চতুর্থ স্কোয়াড্রনটি হাতে পাওয়া গেছে।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, ভারতের ‘সুদর্শন চক্র’ হিসেবে পরিচিত এস-৪০০ (S-400) হল একটি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, যা দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। উন্নত রাডার ও শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র বা বিমানকে মাঝপথে ধ্বংস করার (ইন্টারসেপশন) সক্ষমতা থাকায়, এস-৪০০ অনেক দূর থেকেই আকাশপথে ধেয়ে আসা যেকোনও হুমকি শনাক্ত করে তা ভূপাতিত করতে পারে। ২০১৮ সালে ভারত ও রাশিয়া পাঁচটি এস-৪০০ (S-400) সিস্টেমের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। এর মধ্যে তিনটি ইতিমধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে এবং ভারতীয় বিমানবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চলতি বছরের জুন মাসে চতুর্থ স্কোয়াড্রনটি হাতে পাওয়া গেছে।
{{/usCountry}}