২০২৫ সালের ৭ মের রাত। সেই রাতে ভারতীয় বায়ুসেনার একের পর এক যুদ্ধবিমান পাকিস্তানের অন্দরে ঢুকে পর পর জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয়। সেনার সেই অভিযান ছিল, গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হামলার পাল্টা জবাব। গতবছর ভারতের সেনার সেই অপারেশন সিঁদুর, পাকিস্তানের একের পর জঙ্গিঘাঁটিকে নাস্তানাবুদ করে দেয়। সেই অপারেশন নিয়ে এবার মুখ খুললেন ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল।

ডিসকভারি চ্যানেলে আসছে,‘ডিক্লাসিফায়েড অপারেশন সিঁদুর’ ডকুমেন্ট্রি। সেখানেই অজিত ডোভালকে সেনার এই অপারেশন নিয়ে বক্তব্য রাখতে শোনা গিয়েছে। ২২ এপ্রিল, ২০২৫ সালের পহেলগাঁওতে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা যেভাবে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল, তার বদলা নিতে ৭ মের রাতে পাকিস্তানের ভিতর উড়ে গিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনার পর পর বিমান। সেই অপারেশন সিঁদুরে বহু জঙ্গিঘাঁটি ভারতীয় সেনার টার্গেটে ছিল, যার আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পরমাণু হামলারও হুমকি দিয়েছিলেন। ৮৮ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অপারেশন সিঁদুর নিয়ে অজিত ডোভাল বলছেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম পাকিস্তান সেনাকে বুঝিয়ে দিতে যে, সন্ত্রাসবাদে এই সহায়তা কিংবা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতা,এমন বিষয় যা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।’ তিনি সাফ জানাচ্ছেন, নিজের দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে ভারত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। অজিত ডোভাল বলেন, একবার কোনো কিছু শুরু হলে, ‘দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যতটুকু প্রয়োজন, আমরা ঠিক ততদূর পর্যন্ত যেতে প্রস্তুত,এবং এক্ষেত্রে কোনও সীমাবদ্ধতা নেই। আমরা রক্তের শেষ বিন্দু পর্যন্ত লড়াই করি।’ তিনি এও বলেছেন, বহু সময়কাল ধরে ভারতের যে পারম্পরিক উদারতাকে, তাকে যেন বিশ্ব দুর্বলপ না ভাবে, সেই বার্তাও স্পষ্ট করা হয়েছে অপারেশনে। ডোভাল বলেন, ‘ বিশ্বের কাছে বার্তাটি অত্যন্ত স্পষ্ট—ভারতের উদারতা বা অধিক সহনশীলতাকে যেন তার দুর্বলতা বলে ভুল না করা হয়।’ প্রসঙ্গত, এই অপারেশনে পাকিস্তানের নাগরিক ও সেনা প্রতিষ্ঠানগুলিকে কোনওভাবেই টার্গেটে রাখেনি দিল্লি।
উল্লেখ্য, এই অপারেশন সিঁদুরের পর দেশের প্রধানমন্ত্রী সাফ বার্তায় পাকিস্তাের কাছে স্পষ্ট করে দেন যে, পরমাণু অস্ত্র নিয়ে ভারতকে ব্ল্যাকমেল করা যাবে না। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও এক বক্তব্যে স্পষ্ট করেন, গোটা পাকিস্তান ভারতের ব্রাহ্মোসের রেঞ্জের মধ্যে রয়েছে।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, এই অপারেশন সিঁদুরের পর দেশের প্রধানমন্ত্রী সাফ বার্তায় পাকিস্তাের কাছে স্পষ্ট করে দেন যে, পরমাণু অস্ত্র নিয়ে ভারতকে ব্ল্যাকমেল করা যাবে না। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও এক বক্তব্যে স্পষ্ট করেন, গোটা পাকিস্তান ভারতের ব্রাহ্মোসের রেঞ্জের মধ্যে রয়েছে।
{{/usCountry}}