...
...
Next Story

AK 203 Sher Testing: ‘শের’-এর সফল ফায়ারিং ট্রায়াল, আমেঠিতে তৈরি দেশীয় AK-203-এ আত্মনির্ভর ভারতের বড় পদক্ষেপ

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে এই সাফল্যের কথা জানায় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দফতর। সেখানে দাবি করা হয়েছে, আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে প্রতিরক্ষা উৎপাদনে ভারত আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

Published on: Aug 27, 2026, 14:49:40 IST
Advertisement

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার পথে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য ভারতের। সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে তৈরি AK-203 রাইফেল, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘শের’, সফলভাবে ফায়ারিং ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে। উত্তরপ্রদেশের আমেঠির কোর্ওয়া এলাকায় Indo-Russian Rifles Private Limited বা IRRPL-এর কারখানায় তৈরি এই রাইফেলের পরীক্ষামূলক গুলি চালানোর পর্ব সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর।

সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে তৈরি AK-203 রাইফেল, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘শের’, সফলভাবে ফায়ারিং ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে।
সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে তৈরি AK-203 রাইফেল, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘শের’, সফলভাবে ফায়ারিং ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে এই সাফল্যের কথা জানায় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দফতর। সেখানে দাবি করা হয়েছে, আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে প্রতিরক্ষা উৎপাদনে ভারত আরও একধাপ এগিয়ে গেল। সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে নির্মিত AK-203 ‘শের’-এর ফায়ারিং ট্রায়াল সফল হওয়াকে প্রতিরক্ষা শিল্পে উত্তরপ্রদেশের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের নিদর্শন হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছে।

আমেঠির কোর্ওয়ায় IRRPL-এর উৎপাদন কেন্দ্রে AK-203 রাইফেল তৈরি করা হয়েছে। এই প্রকল্প ভারত ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। দীর্ঘদিন ধরেই দেশে আধুনিক ছোট আগ্নেয়াস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানো এবং বিদেশ থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানির উপর নির্ভরতা কমানোর উপর জোর দিয়েছে কেন্দ্র। সেই বৃহত্তর আত্মনির্ভরতার উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই দেশীয় উৎপাদন পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে।

উত্তরপ্রদেশ সরকারও প্রতিরক্ষা উৎপাদনের জন্য রাজ্যকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের দাবি, যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ এখন প্রতিরক্ষা শিল্পের অন্যতম বড় গন্তব্য হয়ে উঠছে। আমেঠিতে AK-203-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ রাইফেল তৈরি হওয়া সেই দাবিকে আরও জোরালো করছে। এর ফলে রাজ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে, AK-203-এর সাফল্যের খবরের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ সরকারের আরও একটি বড় উদ্যোগের কথাও সামনে এসেছে। বুধবারই লখনউয়ে ‘লোকমাতা অহল্যাবাই মাতৃশক্তি যাত্রা’ প্রকল্পের সূচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সি মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে বাসে যাতায়াতের সুবিধা দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের অধীনে বিশেষ বাসেরও সূচনা করা হয়েছে।

প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, বয়স্ক মহিলাদের যাতায়াত আরও সহজ, সুবিধাজনক ও মর্যাদাপূর্ণ করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। তাঁর বক্তব্য, পরিবারের পাশাপাশি সমাজকে দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা সামলেছেন, সেই ‘মাতৃশক্তি’র সম্মান ও সুবিধাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও ঘোষণা করেছেন, রাখিবন্ধনের দিন মায়েরা, বোনেরা ও মেয়েদের সঙ্গে একজন সহযাত্রীর জন্যও বিনামূল্যে বাসযাত্রার সুবিধা থাকবে। অর্থাৎ ওই বিশেষ দিনে আরও বেশি সংখ্যক মহিলা সরকারি পরিবহণ ব্যবস্থার সুবিধা নিতে পারবেন।

একদিকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘শের’-এর সফল ফায়ারিং ট্রায়াল, অন্যদিকে প্রবীণ মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে বাস পরিষেবা—একই দিনে উত্তরপ্রদেশ সরকারের দুই ভিন্ন ধরনের উদ্যোগ সামনে এল। তবে প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রে আমেঠিতে তৈরি দেশীয় AK-203-এর সাফল্য জাতীয় নিরাপত্তা ও আত্মনির্ভরতার দিক থেকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe