...
...
Next Story

Uttarakhand News: উচ্চবর্ণের কিশোরীর সঙ্গে বন্ধুত্বের শাস্তি! দলিত যুবককে পিটিয়ে খুন, উত্তরাখণ্ডে হুলুস্থূল

Uttarakhand News: নিহত তরুণের নাম কেতন লাল। তিনি গাড়োয়ালের দেওয়াল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। হামলায় গুরুতর আহত তাঁর বন্ধু দিবাকর দিমরিকে বৌরাড়ি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Published on: Jun 9, 2026, 14:16:08 IST
Advertisement

Uttarakhand News: উত্তরাখণ্ডের তেহরি-গাড়োয়াল জেলায় উচ্চবর্ণের কিশোরীর সঙ্গে বন্ধুত্বের জেরে ১৮ বছর বয়সি এক দলিত তরুণকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর এক বন্ধু। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে।

উত্তরাখণ্ডে দলিত যুবককে পিটিয়ে খুন (Representative)
উত্তরাখণ্ডে দলিত যুবককে পিটিয়ে খুন (Representative)

নিহত তরুণের নাম কেতন লাল। তিনি গাড়োয়ালের দেওয়াল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। হামলায় গুরুতর আহত তাঁর বন্ধু দিবাকর দিমরিকে বৌরাড়ি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, খোলগড় গ্রামের এক কিশোরীর সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় কেতন লালের। ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব গড়ায় প্রেমে। ফোনে নিয়মিত কথা হতো তাঁদের। মাঝে মধ্যে দেখাও করতেন। কয়েক দিন আগে তাঁদের সম্পর্কের কথা জানতে পেরে যায় কিশোরীর পরিবার। মৃতের বাবা ধনপাল লালের দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, রবিবার রাত ১১টা নাগাদ কেতনকে ফোন করে তাঁদের গ্রামে আসতে বলে ওই কিশোরী। এরপরেই কেতন তাঁর বন্ধু দিবাকরকে সঙ্গে নিয়ে খোলগড়ে যান।

পুলিশ সূত্রে খবর, দুই বন্ধু গ্রামে পৌঁছান মাত্রই মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা তাঁদের একটি ঘরে আটকে রেখে লাঠিসোঁটা দিয়ে বেদম মারধর করে। পরদিন, অর্থাৎ সোমবার সকালে মেয়েটির বাবা ধনপাল লালকে ফোন করে তাঁর ছেলের আশঙ্কাজনক অবস্থার কথা জানান এবং তাঁকে নিয়ে যেতে বলেন। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছন ধনপাল। সেখানে গিয়ে কেতন এবং দিবাকরকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। তৎক্ষণাৎ দু’জনকে উদ্ধার করে চৌন্দ লম্বগাঁওয়ের একটি কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কেতনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পরে দিবাকরকে স্থানান্তরিত করা হয় বৌরাড়ি জেলা হাসপাতালে। এদিকে, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নিহতের পরিবার এবং ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁরা প্রথম দিকে প্রশাসনের কাছ থেকে আশানুরূপ আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত মৃতদেহ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe