...
...
Next Story

Benjamin Netanyahu: শুধু নেতানিয়াহুর অফিসই নয়, আরও এক নিশানায় হানা ইরানের!কোন ক্ষেপণাস্ত্র ধেয়ে গেল ইজরায়েলে?

ঘটনাকে ইরান ‘সারপ্রাইজ হামলা’ বলে উল্লেখ করেছে।

Published on: Mar 2, 2026, 16:48:18 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

ইরান বনাম ইজরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধের মাঝে, এবার তেহরান দাবি করেছে, তারা পর পর মিসাইল হানা চালিয়েছে ইজরায়েলের বুকে। ইরানের আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে, তারা ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অফিসে হামলা করেছে। ঘটনাকে ইরান ‘সারপ্রাইজ হামলা’ বলে উল্লেখ করেছে।

শুধু নেতানিয়াহুর অফিসই নয়, আরও এক নিশানায় হানা ইরানের
শুধু নেতানিয়াহুর অফিসই নয়, আরও এক নিশানায় হানা ইরানের

ফার্স সংবাদ সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের রেভফোলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, ‘ইহুদিবাদী সরকারের অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারের বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দপ্তর লক্ষ্যবস্তু করা হয়।’ ফলত শুধু নেতানিয়াহুর অফিসই নয়, আরও একটি টার্গেটে হামলা চালিয়েছে ইরান। আর তা হল, ইজরায়েলের বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দফতর।

কোন ক্ষেপণাস্ত্র চালাল ইরান?

ইরানের তরফে জানানো হয়েছে খেইবার মিসাইল চালানো হয়েছে এদিনের হামলায়। এই খেইবার মিসাইলকে খোরামশহর মিসাইলও বলা হয়ে থাকে। যেগুলি মিডিয়াম রেঞ্জ ব্যালাস্টিক মিসাইল বলে জানা যায়। এই মিসাইলগুলি খোরামশহর মিসাইলগুলির চতুর্থ প্রজন্ম। এই খোরামশাহর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ২০০০ কিলোমিটার পাল্লার এবং ১,৫০০ কিলোগ্রাম ওয়ারহেড বহন করতে পারে। খোররামশাহর-৪ এর নামকরণ করা হয়েছে খোররামশাহরের নামে একটি ইরানি শহরের নামে। যে শহর, যা ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় তীব্র যুদ্ধের মধ্যে ছিল, যা খোররামশাহরের যুদ্ধ নামে পরিচিত।

এদিকে, ইজরায়েলি প্রতিবেদনগুলি, ইরানের দাবি অস্বীকার করেছে যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহুর কার্যালয় আঘাত হেনেছে, এবং এগুলিকে 'মিথ্যা প্রচারণা' বলে অভিহিত করেছে। সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইজরায়েলি বিমান বাহিনী এবং ইজরায়েলি নৌবাহিনী ইরান থেকে ইজরায়েলে ছোড়া কয়েক ডজন ড্রোনকে বাধা দিয়েছে, বলে দাবি ইজরায়েলের। ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পর পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়, যার ফলে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ তেহরানের বেশিরভাগ শীর্ষ নেতৃত্ব নিহত হন।

(বিস্তারিত আসছে)

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe