বাংলাদেশে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সম্পন্ন হয়েছে ভোটপর্ব। এরপর সেদেশের শাসনের গদিতে বসেছেন বিএনপির সরকার। প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন খালেজা পুত্র তারেক রহমান। এবার সেই তারেক রহমানের জমানাতেই ঢাকায় পা রাখলেন ট্রাম্প প্রশাসনের বিশিষ্ট সদস্য তথা ভারতীয় বংশোদ্ভঙূত মার্কিনি পল কাপুর। এদিন তাঁর সঙ্গে ঢাকায় সাক্ষাৎ হয় বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের মন্ত্রী খলিলুর রহমানের। দুই তরফে কী কথা হয়েছে, তা নিয়ে মুখ খুললেন খলিলুর।
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ও বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুরপ রহমানের মধ্যে সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ববে মনে করা হচ্ছে। উপসাগরীয় যুদ্ধে যখন ইজরায়েল ও আমেরিকা একযোগে ইরানের ওপর হামলা করে যাচ্ছে, তখন এশিয়ার এক প্রান্তে ভারতের প্রতিবেশী বাংলাদেশে ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ দূতের আগমন নিঃসন্দেহে কূটনৈতিক আঙিনায় বড় ঘটনা।
জানা গিয়েছে, দুই পক্ষের বৈঠকে বাংলাদেশের ভোট পর্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে, বাংলাদেশের ভোটের আগে গত ডিসেম্বর থেকে তুমুল উত্তেজনা দেখা দেয় বাংলাদেশে। সেদেশে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদিকে দিনে দুপুরে ঢাকার রাস্তায় গুলি করা ও পরে হাদির মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে তৎকালীন ইউনুস সরকারের দেশ। এরপর তদন্ত এগোয়। তবে হাদি হত্যার মূল অভিযুক্ত অধরা থাকে। এমন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে ভোট হয়। সেই ভোট নিয়ে এদিন খলিলুর রহমানকে মার্কিনি প্রতিনিধি পল কাপুর কী বলেছেন? খলিলুর রহমান বলেন,নির্বাচন এত শান্তিপূর্ণ ও অবাধ হয়েছে যে, তা তাঁদের (আমেরিকার) প্রত্যাশারও বাইরে ছিল। খলিলুর রহমান বলেন, পল কাপুর আমাকে বলেছেন, ‘আমার মনে আছে, আপনি ওয়াশিংটন সফরে বলেছিলেন যে আপনারা এই নির্বাচন উৎসবমুখর করতে চান। তখন আমরা ভেবেছিলাম আদৌ কি তাই হবে? পরে আমরা দেখলাম, আসলেই একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হয়েছে।’ জানা গিয়েছে, পল কাপুর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর মার্কিনি সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তারেক রহমানকে চিঠি লিখে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারেক রহমান বাংলাদেশের মসনদে বসতেই তাঁকে ফোন করে অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীও। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেকথা জানান মোদী। এছাড়াও দিল্লির তরফে তারেককে ভারতে আসতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।