পাকিস্তানের প্রতিবেশি দেশ ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজরায়েলের তুঙ্গে সংঘাত। মধ্যপ্রাচ্যে এই যুদ্ধের জের গোটা বিশ্বে পড়তে শুরু করেছে। তারফলে জ্বালানি সংকট, ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। এদিকে, এই যুদ্ধ শুরুর কিছুদিন আগে, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে সশস্ত্র এক সংঘাত বাঁধে। দুই দেশের মধ্যে থাকা সীমান্তের ডুরান্ড লাইন এই যুদ্ধের মূল কারণ। এদিকে, সেই আফগানিস্তান বনাম পাকিস্তান যুদ্ধ প্রসঙ্গকে টেনেও ইসলামাবাদ ভারতের বিরুদ্ধে সরব হয়। সেই প্রসঙ্গে এবার ইসলামাবাদকে মোক্ষম জবাব দিল দিল্লি।

এদিন এক প্রেস ব্রিফিং-এ দিল্লির তরফে পাকিস্তানের অভিযোগকে কার্যত নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে। দিল্লি বলছে, ‘আমরা এই ধরণের ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করি। পাকিস্তানের স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে যে তারা তাদের অপকর্মের জন্য ভারতকে দোষারোপ করছে। কয়েক দশক ধরে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র হিসেবে, সীমান্ত সন্ত্রাসবাদের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিশ্বাসযোগ্যতা.. শূন্য। যতই গল্প বলা হোক না কেন, এই বাস্তবতা বদলাতে পারবে না, পাকিস্তানের এই ধারণার দ্বারা কেউ বোকা বানাবে না।’
২১শে ফেব্রুয়ারি আফগান ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে ইসলামাবাদের পদক্ষেপের পর, ২৭শে ফেব্রুয়ারি আফগান বাহিনী পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনাগুলির বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু করলে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে বর্তমান যুদ্ধবিগ্রহ শুরু হয়। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে তুমুল সংঘাত শুরু হয়ে যায়।
আফগানিস্তানের আক্রমণের পর, পাকিস্তান একাধিক সীমান্ত সেক্টরে আফগান বাহিনীর বিনা উস্কানিতে গুলিবর্ষণ এর প্রতিক্রিয়ায় 'অপারেশন গাজাব লিল-হক' (ধার্মিক ক্রোধ) শুরু করে। এই সপ্তাহের শুরুতে, ভারত আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং রমজান মাসে ‘ইসলামী সংহতি’ প্রচার করার সময় বেশিরভাগ নারী ও শিশুকে হত্যা করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
এরপর ফের আরেকবার সেই যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ইসলামাবাদ বড়সড় অভিযোগ আনে ভারতের বিরুদ্ধে। ডুরান্ড লাইন ধরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান সংঘাতে ভারতের জড়িত থাকার অভিযোগ ইসলামাবাদের। তারপরই মুখ খুলল দিল্লি।
{{/usCountry}}এরপর ফের আরেকবার সেই যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ইসলামাবাদ বড়সড় অভিযোগ আনে ভারতের বিরুদ্ধে। ডুরান্ড লাইন ধরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান সংঘাতে ভারতের জড়িত থাকার অভিযোগ ইসলামাবাদের। তারপরই মুখ খুলল দিল্লি।
{{/usCountry}}