একেই এলপিজির সংকট চলছে। গ্যাস নিয়ে সরকারের তরফ থেকে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ইরানে যুদ্ধের জেরে। এদিকে, এলিপিজি গ্যাসের জন্য লম্বা লাইন বহু জায়গায় দেখা গিয়েছে। অনেকেই রয়েছেন উদ্বেগে। আর সাধারণ মানুষের এই উদ্বেগের সুযোগ নিতে শুরু করেছে প্রতারকরা।

গ্যাসের সংকটের মাঝে সাহায্যের নাম করে বীরভূমের সিউড়ির তিন জন মহিলার কাছে ফোন আসে বলে অভিযোগ। তাঁদের কাছে স্থানীয় গ্যাস ডিলারের নাম করে তাঁদের ফোন করা হয়। তাঁদের কাছে গ্যাস সংক্রান্ত কী কী সমস্যা হচ্ছে, তা জানতে চাওয়া হয়। তারপর ছলে কৌশলে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য নেওয়া হয়। চাওয়া হয় ওটিপি, সেই ওটিপি মহিলারা দিয়ে দেন। এরপরই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে উড়ে যায় টাকা। জানা যাচ্ছে, ফোনের সঙ্গে মোবাইলে একটি মেসেজও আসছে। সেই মেসেজে থাকছে একটি লিঙ্ক। সেই লিঙ্কে ক্লিক করলেই বিপদ। গ্রাহক তাতে ক্লিক করলেই কেল্লাফতে প্রতারকদের! ইতিমধ্যেই বীরভূমের সাইবার ক্রাইম থানায় এমন অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সাইবার ক্রাইম থানার তরফে বারবার বলা হচ্ছে, যেন কোনও মতেই ওটিপি না দেওয়া হয়। মিডিয়া রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, বীরভূমে এই প্রতারণা চক্র সক্রিয় হয়েছে।
শুধু বীরভূমেই নয়। মহারাষ্ট্রের কান্দিভালি পুলিশ স্টেশনেও এমন এলিপিজি প্রতারণা নিয়ে সতর্ক করেছে পুলিশ। সেখানে মহানগর গ্যাস লিমিটেড, এইচপি গ্যাস লিমিটেডের নাম করে ফোন গ্রাহকের কাছে আসতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে প্রশাসন। অফিশিয়ালরা বলছেন, কোনও ধরনের এপিকে ফাইল ডাউনলোড বা খুললেই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যাবেন মানুষ।
{{/usCountry}}শুধু বীরভূমেই নয়। মহারাষ্ট্রের কান্দিভালি পুলিশ স্টেশনেও এমন এলিপিজি প্রতারণা নিয়ে সতর্ক করেছে পুলিশ। সেখানে মহানগর গ্যাস লিমিটেড, এইচপি গ্যাস লিমিটেডের নাম করে ফোন গ্রাহকের কাছে আসতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে প্রশাসন। অফিশিয়ালরা বলছেন, কোনও ধরনের এপিকে ফাইল ডাউনলোড বা খুললেই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যাবেন মানুষ।
{{/usCountry}}আশপাশে ছড়িয়ে থাকা এমন প্রতারণা চক্রের মাঝে, নিজেকে নিরাপদ রাখতে সাধারণ মানুষের কী করণীয়? তা দেখে নিন।
১.তাৎক্ষণিক এলপিজি বুকিং বা দ্রুত ডেলিভারি দাবি করে অজানা ওয়েবসাইট বা লিঙ্কগুলিতে বিশ্বাস করবেন না।
২. সাইবার প্রতারকরা ছাড়ের দামে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহের ভুয়া এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা বা সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞাপন পাঠাতে পারে।
৩. এলপিজি বুকিংয়ের জন্য অর্থ প্রদানের জন্য জিজ্ঞাসা করা সন্দেহজনক লিঙ্কগুলিতে কখনও ক্লিক করবেন না।
৪. সর্বদা কেবলমাত্র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, অনুমোদিত অ্যাপ বা নিবন্ধিত পরিবেশকদের মাধ্যমে এলপিজি সিলিন্ডার বুক করুন।
৫. এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবস্থা করার দাবি করে এমন কারও সাথে ওটিপি, ব্যাঙ্কের বিবরণ বা ইউপিআই পিন শেয়ার করবেন না।
৬. ভুয়া ওয়েবসাইটগুলি অফিসিয়াল এলপিজি কোম্পানির পোর্টালের মতো দেখতে হতে পারে এবং আপনার ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য চুরি করতে পারে।
৭. যদি কোনও ওয়েবসাইট বা বার্তা অনলাইনে পেমেন্টের পরে জরুরি বা নিশ্চিত এলপিজি ডেলিভারির প্রতিশ্রুতি দেয়, তবে এটি সাইবার জালিয়াতি হতে পারে।