অগস্টে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষাচুক্তি মক্কা প্যাক্ট স্বাক্ষর ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ব্যাপক চর্চা হয়। সেই প্রতিরক্ষা সন্ধি অনুযায়ী, চুক্তিবদ্ধ তিন দেশের কোনও একটিতে হামলা মানেই অন্য বাকি দুই দেশে তা হামলার শামিল। এমন এক চুক্তির প্রেক্ষাপটে আজ সৌদি আরবে হুথিরা হামলা চালিয়েছে। সৌদি বলেছে, তাদের শক্তিসম্পদ সম্পর্কিত জায়গায় হামলা চলেছে। ৭৩ জন সেই ঘটনায় আহত। হুথিদের মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, সৌদি আরব সম্পর্কিত এক ট্রাকে, সৌদি-ইয়েমেন সীমান্তে এই হামলা চালানো হয়েছে। যে ট্রাক, সেনার কিছু সামগ্রী নিয়ে যাচ্ছিল। এদিকে, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের মাঝে ইয়েমেনের হুথিদের সৌদিতে হামলা ঘিরে চড়েছে পারদ। ওদিকে, জল্পনা চড়ছে যে, এই হামলা কি মক্কা প্যাক্টকে বড় পরীক্ষার মুখে ফেলে দিল? এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই হামলা নিয়ে মুখ খুলেছেন।
নতুন করে সৌদিতে হুথি হামলার জেরে তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। হুথিদের পাল্টা ছেড়ে কথা না বলার বার্তা দিয়েছে সৌদিও। উল্লেখ্য, এলাকার ইয়েমেনের বিভিন্ন বড় শহরে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে শিয়া গোষ্ঠীর হুথিদের। বেশ কিছু রিপোর্ট বলছে, এই হুথিদের প্রতি সমর্থন রয়েছে ইরানের। আর এই ইরান আবার পাকিস্তানের পড়শি দেশ। এদিকে, ইরানে আমেরিকা হামলা করার পরপরই সৌদিতে, আমেরিকার ঘাঁটিতে হামলা করেছিল ইরান। এমন এক উত্তেজিত পরিস্থিতির মাঝে সদ্য স্বাক্ষরিত হয়েছে মক্কা প্যাক্ট। ফলত, প্রশ্ন উঠছে, এই অবস্থায় মক্কাপ্যাক্টে থাকা, পাকিস্তান কোন পথে হাঁটবে, তা নিয়ে।
সৌদি আরবের মদতপুষ্ট ইয়েমেনের সুন্নি মুসলিম গোষ্ঠীর সরকার ধারাবাহিক অভিযান চালাচ্ছে হুথিদের বিরুদ্ধে। এদিকে, সানা-সহ উত্তর ইয়েমেনের বিভিন্ন অংশ এখনও হুথিদের নিয়ন্ত্রণে। এদিকে, আজকের হামলার পর ছেড়ে কথা বলার মেজাজে নেই সৌদি। সৌদি আরব বলছে, ইয়েমেনের হুতিদের ছোড়া একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তেল স্থাপনাগুলোতে আগুন ধরে যাওয়া ও বহু মানুষ আহত হওয়ার পর পাল্টা আঘাত হানার জন্য তারা তৈরি। ইয়েমেনে সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে যে, তাদের বাহিনী এই ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’-র জবাব দেবে।
এমন এক পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন,‘ সৌদি আরবের অসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হুথিদের চালানো কাপুরুষোচিত হামলার আমি তীব্র নিন্দা জানাই, এই হামলায় বহু মানুষ আহত হয়েছেন।’ মক্কাপ্যাক্ট আবহে ইরানের প্রতিবেশী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, পাকিস্তান ‘..মহামান্য বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, মহামান্য ক্রাউন প্রিন্স মহম্মদ বিন সালমান এবং সৌদি আরবের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের সাথে অবিচল সহমর্মিতা প্রকাশ করছে।’ এরই সঙ্গে তিনি বার্তা দেন, ‘এ ধরনের জঘন্য হামলা নিরপরাধ মানুষের জীবনের পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাকেও হুমকির মুখে ফেলে। আমরা দেশটির সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার প্রতি আমাদের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি এবং আহত সকলের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’
{{/usCountry}}এমন এক পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন,‘ সৌদি আরবের অসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হুথিদের চালানো কাপুরুষোচিত হামলার আমি তীব্র নিন্দা জানাই, এই হামলায় বহু মানুষ আহত হয়েছেন।’ মক্কাপ্যাক্ট আবহে ইরানের প্রতিবেশী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, পাকিস্তান ‘..মহামান্য বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, মহামান্য ক্রাউন প্রিন্স মহম্মদ বিন সালমান এবং সৌদি আরবের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের সাথে অবিচল সহমর্মিতা প্রকাশ করছে।’ এরই সঙ্গে তিনি বার্তা দেন, ‘এ ধরনের জঘন্য হামলা নিরপরাধ মানুষের জীবনের পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাকেও হুমকির মুখে ফেলে। আমরা দেশটির সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার প্রতি আমাদের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি এবং আহত সকলের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’
{{/usCountry}}