সদ্য আগস্ট ২০২৬ এই সৌদি আরব, তুরস্কের সঙ্গে তাবড় মক্কা প্যাক্টে স্বাক্ষর করেছে পাকিস্তান। চুক্তি অনুযায়ী তিন দেশের কোনও একটিতে অন্য কোনও শক্তির হামলা হলে, তা তিন দেশের ওপর হামলা বলে মনে করা হবে। এরই মাঝে সৌদি আরবে হুথি হামলা শুরু হয়েছে। সদ্য সৌদির পবিত্র শহর মক্কার কাছে এক ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে খবর। এই হামলা হুথিরা করেনি বলে তারা দাবি করেছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে সংঘাত আবহে এই হামলার চেষ্টা কে করল? সেই হামলার প্রচেষ্টার নিন্দা করেও, ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথিদের নাম একবারও তোলেনি ইসলামাবাদ।

গত কয়েক দিন ধরে সৌদি আরবের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালাচ্ছে হুথিরা। মক্কা প্যাক্টের আবহে এই ইস্যুতে পাকিস্তানি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুথি হামলার সমালোচনা করলেও, তারপরদিনই ইসলামাবাদ এই ইস্যুতে ব্যাকফুটে চলে যায়। বেশ কিছু রিপোর্ট দাবি করে, হুথি হামলার মাঝে আমেরিকারও দ্বারস্থ হয়েছিল সৌদি আরব। এদিকে, মক্কা প্যাক্ট থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তান ব্যাকফুটে চলে যেতেই, সৌদি আরবের কট্টর বিপক্ষ শিবির হিসাবে পরিচিত ইজরায়েলেরও দ্বারস্থ হয় রিয়াধ।এরই মাঝে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর অফিস দাবি করেছে, সদ্য সৌদির যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ। সৌদির কাছে পাকিস্তানের অবস্থান কার্যত হুথি ইস্যুতে বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জে রয়েছে বলে মনে করছে বহু মহল। এদিকে, হঠাৎ করে সৌদির পবিত্র শহর মক্কার কাছে সাইরেন শোনা যায়। তৎক্ষণাৎ অ্যালার্ট জারি হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায়। তবে মক্কার আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই 'রয়্যাল সৌদি এয়ার ডিফেন্স ফোর্স' ড্রোনটিকে চিহ্নিত করে মাঝআকাশেই ধ্বংস করে দেয়। তবে ইরান সমর্থিত হুথিরা সেই দাবি অস্বীকার করেছে।
এদিকে, মক্কার কাছে এই হামলার চেষ্টা নিয়ে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা চুক্তি সঙ্গী তথা ইরানের প্রতিবেশী পাকিস্তান মুখ খুলেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, ‘মক্কা আল-মুকাররমাহর পবিত্র স্থানে ড্রোন হামলার যে কাপুরুষোচিত ও জঘন্য প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে, আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় পাকিস্তানের জনগণ ব্যথিত ও উদ্বিগ্ন। এই নিন্দনীয় ও ক্ষমার অযোগ্য ঘটনায় আমরা যে গভীর যন্ত্রণা ও শোক অনুভব করছি, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী কোনো শব্দ নেই। রয়্যাল সৌদি আর্মড ফোর্সেস-এর দ্রুত ও বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য আমরা তাদের অসাধারণ সতর্কতা, সাহস ও পেশাদারিত্বকে সশ্রদ্ধ অভিবাদন জানাই।' তাৎপর্যপূর্ণভাবে ইরানের প্রতিবেশী পাকিস্তান, তার এই নিন্দা বার্তায় কোথাও ইরান সমর্থিত হুথিদের নাম নেয়নি। প্রসঙ্গত, ইরান বনাম আমেরিকার যুদ্ধে, সৌদিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে বহুবার হামলা চালিয়েছে ইরান। সেই প্রেক্ষাপটে ইরান ও সৌদির সম্পর্ক নিয়ে বেশ চর্চা রয়েছে। এদিকে, ইয়েমেনের হুথিদের দাবি, তারা সৌদির এক এফ ১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। গোটা পরিস্থিতির মাঝে মক্কা প্যাক্টের প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের অবস্থান কূটনৈতিক মহলের নজরে।
{{/usCountry}}এদিকে, মক্কার কাছে এই হামলার চেষ্টা নিয়ে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা চুক্তি সঙ্গী তথা ইরানের প্রতিবেশী পাকিস্তান মুখ খুলেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, ‘মক্কা আল-মুকাররমাহর পবিত্র স্থানে ড্রোন হামলার যে কাপুরুষোচিত ও জঘন্য প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে, আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় পাকিস্তানের জনগণ ব্যথিত ও উদ্বিগ্ন। এই নিন্দনীয় ও ক্ষমার অযোগ্য ঘটনায় আমরা যে গভীর যন্ত্রণা ও শোক অনুভব করছি, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী কোনো শব্দ নেই। রয়্যাল সৌদি আর্মড ফোর্সেস-এর দ্রুত ও বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য আমরা তাদের অসাধারণ সতর্কতা, সাহস ও পেশাদারিত্বকে সশ্রদ্ধ অভিবাদন জানাই।' তাৎপর্যপূর্ণভাবে ইরানের প্রতিবেশী পাকিস্তান, তার এই নিন্দা বার্তায় কোথাও ইরান সমর্থিত হুথিদের নাম নেয়নি। প্রসঙ্গত, ইরান বনাম আমেরিকার যুদ্ধে, সৌদিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে বহুবার হামলা চালিয়েছে ইরান। সেই প্রেক্ষাপটে ইরান ও সৌদির সম্পর্ক নিয়ে বেশ চর্চা রয়েছে। এদিকে, ইয়েমেনের হুথিদের দাবি, তারা সৌদির এক এফ ১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। গোটা পরিস্থিতির মাঝে মক্কা প্যাক্টের প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের অবস্থান কূটনৈতিক মহলের নজরে।
{{/usCountry}}