...
...
Next Story

KFC-তে হানা, মহীশূরের হোটেল বাসি মাংস! কর্ণাটকজুড়ে 'সারপ্রাইজ ভিজিট' খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের

Karnataka food safety crackdown: মহীশূরের নামীদামি 'গ্র্যান্ড মারকিউর' হোটেল থেকে ৬৮ কেজি বাসি মাংস, 'রিও মেরিডিয়ান' থেকে ৯ কেজি মেয়াদোত্তীর্ণ চিকেন এবং 'কিউ স্টার' হোটেল থেকে ৪ কেজি পচা মাশরুম বাজেয়াপ্ত করেছে ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশেন ডিপার্টমেন্ট।

Published on: Aug 16, 2026, 23:53:06 IST
Advertisement

Karnataka food safety crackdown: ফাইভ স্টার হোটেল মানেই এলাহি আয়োজন। ওয়েটার থেকে শুরু করে শেফ-সবই কেতাদুরস্ত। দামও আকাশছোঁয়া। তাই খাবারদাবারের মানও ভালো হবে বলেই আশা করেন ক্রেতারা। কিন্তু কর্ণাটকের ফাইভ স্টার হোটেল এবং রিসর্টগুলিতে হানা দিয়ে দেখা মিলেছে উল্টো ছবি। সেখান থেকে পচা মাংস, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার থেকে বাসি সব্জি মিলেছে বলে অভিযোগ। নামী হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করছে কর্ণাটকের ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশেন ডিপার্টমেন্ট (Karnataka food safety crackdown)।

কর্ণাটকজুড়ে 'সারপ্রাইজ ভিজিট' খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের (সৌজন্যে টুইটার)
কর্ণাটকজুড়ে 'সারপ্রাইজ ভিজিট' খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের (সৌজন্যে টুইটার)

সম্প্রতি মহীশূর, বেঙ্গালুরু ও ম্যাঙ্গালোর-সহ কর্ণাটকের প্রধান শহরগুলোতে সারপ্রাইজ ভিজিট শুরু করেন খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। উপকূলীয় শহর ম্যাঙ্গালোরে এক গ্রাহক কেএফসি (KFC) থেকে অনলাইনে 'চিকেন পেরি পেরি লেগ' অর্ডার করে বাসি ও গন্ধযুক্ত খাবার পান। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তৎক্ষণাৎ ওই আউটলেটে হানা দিয়ে রান্নাঘর, কোল্ড স্টোরেজ ও ফ্রিজ পরীক্ষা করেন খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। সেখান থেকে সংগৃহীত খাবারের নমুনা বিস্তারিত পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। 'ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশেন ডিপার্টমেন্ট'-এর কর্মকর্তাদের মতে, ল্যাব পরীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, মহীশূরের নামীদামি 'গ্র্যান্ড মারকিউর' হোটেল থেকে ৬৮ কেজি বাসি মাংস, 'রিও মেরিডিয়ান' থেকে ৯ কেজি মেয়াদোত্তীর্ণ চিকেন এবং 'কিউ স্টার' হোটেল থেকে ৪ কেজি পচা মাশরুম বাজেয়াপ্ত করেছে ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশেন ডিপার্টমেন্ট। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন রিসর্ট ও রেস্তরাঁ থেকে আরও ১৬ কেজি পচা ও বাসি খাবার নষ্ট করে ফেলা হয়। বেসরকারি থ্রি-স্টার ও ফাইভ-স্টার হোটেলের পাশাপাশি ছাড় পায়নি সরকারি কেন্দ্রগুলোও। বেঙ্গালুরুর বিধান সৌধ, বিকাশ সৌধ এবং আরোগ্য সৌধের মতো হাই-প্রোফাইল সরকারি ভবনের ক্যান্টিনগুলোতে অভিযান চালিয়ে দেখা যায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করা হচ্ছে। এমনকী পোকা-মাকড় নিয়ন্ত্রণের কোনও ব্যবস্থা নেই এবং রান্নায় ব্যবহার করা হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ণ মশলা ও উপকরণ। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের জন্য পরিচালিত ‘ইন্দিরা ক্যান্টিন’ এবং অনলাইন কুইক-কমার্স ডেলিভারি হাবগুলোতেও একাধিক অনিয়ম পাওয়ায় নোটিস দেওয়া হয়েছে, কোনও কোনওটি বন্ধের নির্দেশও জারি করা হয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe