Trump Son in India: ট্রাম্পের শুল্ক-হুমকির মাঝেই ট্রাম্প-পুত্র যোগীগড় উত্তর প্রদেশে! কোথায় গিয়েছিলেন? এল ভিডিয়ো
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ট্রাম্প জুনিয়র প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্মৃতিসৌধটি ঘুরে দেখেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুত্র ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র বৃহস্পতিবার আগ্রার তাজমহল পরিদর্শন করেছেন। আর সেকারণেই তিনি যোগীগড় উত্তর প্রদেশে পৌঁছন। উত্তর প্রদেশের আগ্রার এই সৌধ ঘুরে দেখেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের পুত্র।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ট্রাম্প জুনিয়র প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্মৃতিসৌধটি ঘুরে দেখেন। সংবাদ সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে ট্রাম্প জুনিয়র বিকেল ৩.৩০ টার দিকে স্মৃতিসৌধে পৌঁছেছিলেন এবং আইকনিক ডায়ানা বেঞ্চ সহ কমপ্লেক্সের ভিতরে একটি বিস্তৃত ফটো সেশনে ছিলেন।
উদয়পুরে একটি হাই-প্রোফাইল ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ে যোগ দিতে পারেন জুনিয়ার ট্রাম্প। জানা গিয়েছে, এদিন ট্রাম্প জুনিয়র, তাজমহলের ইতিহাস এবং নির্মাণ সম্পর্কেও গভীর আগ্রহ দেখিয়েছেন। একথা এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। পিটিআই অনুসারে, তিনি গাইড নীতিন সিংয়ের কাছে তাজমহলের স্থাপত্য সম্পর্কে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করেছিলেন, যিনি ২০২০ সালে মার্কিন রাষ্ট্রপতির আগ্রা সফরের সময়ও ছিলেন।
এদিকে, ট্রাম্প জুনিয়রের তাজমহল সফরের পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষত সদ্য দিল্লিতে লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের পর এই নিরাপত্তা ক্রমেই আটোসাঁটো করা হয়েছে।
( গুরু বৃহস্পতি ও চন্দ্রের চালে ব্যাপক ধামাকা! ৩ রাশিতে সৌভাগ্যের ফোয়ারা ছুটবে, লাকি কারা?)
স্থানীয় পুলিশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পিটিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প জুনিয়র স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করার সাথে সাথেই সিআইএসএফ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের আগমনের আগে প্রশাসন বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে এবং রাস্তার পশুদের মূল রাস্তা পরিষ্কার করেছে।
এদিকে, মার্কিন মুলুক থেকে ক্রমাগত ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধ নিয়ে একাধিক বক্তব্য, দাবি বারবার পেশ করেছেন ট্রাম্প। সঙ্গে শুল্ক চাপানো নিয়ে ভারতের প্রতি বহু হুঁশিয়ারিও তিনি দিয়েছেন এযাবৎকাল। সদ্য ট্রাম্প বলেন,' আমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে ভালো। এর আগেও আমি বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করেছি। আমি বিভিন্ন যুদ্ধের কথা বলছিলাম... ভারত, পাকিস্তান... তারা যুদ্ধ করতে যাচ্ছিল, পারমাণবিক অস্ত্র ছিল তাদের কাছে... আমি তখন দুই দেশকেই বললাম, আমি ৩৫০ শতাংশ শুল্ক বসাব তোমাদের ওপর। আমেরিকার সঙ্গে আর কোনও বাণিজ্য করতে হবে না। পরে মোদী আমাকে ফোন করে বলেন - আমাদের হয়ে গিয়েছে। আমি প্রশ্ন করলাম কী হয়েছে? তিনি বললেন- আমরা আর যুদ্ধে যাব না। আমি তারপর তাঁকে ধন্যবাদ জানালাম এবং বললাম- একটি চুক্তি করা যাক এবার।'
E-Paper

