...
...
Next Story

Japan: ‘কিমোনো’ ফেরত দিতে দেরি! জাপানে পুলিশের মুখোমুখি ভারতীয় পরিবার

Japan: সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামের এক ভিডিওতে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন আশিকা জৈন।

Published on: Apr 16, 2026, 20:26:33 IST
Advertisement

Japan: পরিবার নিয়ে জাপানে ঘুরতে গিয়েছিলেন মুম্বই ভিত্তিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশিকা জৈন। আর সেখানে গিয়ে পরেছিলেন জাপানের ঐতিহ্যবাহী পোশাক 'কিমোনো।' কিমোনো ভাড়া নিয়ে ঘুরে-ছবি তুলে ফেরত দিতে দেরি হয়। আর তাতেই বিপাকে পড়তে হল আশিকা জৈনকে। এমনকী জাপানের পুলিশের মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে। ইতিমধ্যে এই ঘটনা ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ঘটনার সূত্রপাত

জাপানে পুলিশের মুখোমুখি ভারতীয় পরিবার (সৌজন্যে টুইটার)
জাপানে পুলিশের মুখোমুখি ভারতীয় পরিবার (সৌজন্যে টুইটার)

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামের এক ভিডিওতে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন আশিকা জৈন। ওই কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, জাপানে ঘুরতে গিয়ে ভাড়া নেওয়া কিমোনো নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে ফেরত দেওয়ায় তাঁকে ও তাঁর পুরো পরিবারকে বড় অঙ্কের জরিমানা দিতে হয়েছে। এমনকী পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের মুখেও পড়েছেন তাঁরা। ভিডিওতে আশিকা বলেন, ‘ভাই! জাপানের পুলিশ আমাদের ধরতেই চলে এসেছিল। কিমোনো পরতে চেয়েছিলাম, আর তা থেকেই এ সবকিছুর শুরু।’ আশিকা জানান, একটি দোকান থেকে জাপানের ঐতিহ্যবাহী পোশাক কিমোনো ভাড়া করেছিলেন তিনি। সেই দোকান থেকে পর্যটকেরা জাপানে কয়েক ঘণ্টার জন্য এই ঐতিহ্যবাহী পোশাক ভাড়া নিতে পারেন। দোকানের কর্মীরাই পোশাক পরিয়ে দেন এবং ফিরিয়ে দেওয়ার সময়সীমা-সহ সব নির্দেশিকা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন।

আশিকা বলেন, ‘সেখানে অনেক ধরনের কিমোনো ছিল। দোকানের কর্মীরাও বেশ সহযোগিতা করেছেন। পোশাক পরে আমরা বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরে বেড়াই। ছবি তুলি। কিন্তু সমস্যার শুরু হয় যখন সময় মতো কিমোনো ফেরত দিতে ব্যর্থ হই।’ বিকেল ৫টার মধ্যে ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের দেরি হয়ে যায় বলে জানান আশিকা। তিনি বলেন, ‘ওই দোকানের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৩০ মিনিট বিলম্বের জন্য জন প্রতি ১ হাজার ১০০ ইয়েন (প্রায় ৬৪৬ টাকা) জরিমানা দিতে হয়। আমরা পাঁচজন ছিলাম। আমাদের ৩৭ মিনিট দেরি হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী জনপ্রতি ২ হাজার ২০০ ইয়েন জরিমানা হয় আমাদের।’ আশিকা জানান, তাঁরা বিষয়টি নিয়ে দোকানের কর্মীদের সঙ্গে দর কষাকষির চেষ্টা করেন এবং অনুরোধ করেন যেন শুধু প্রথম আধা ঘণ্টার ভাড়া নেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আমি তাঁদের অনুরোধ করছিলাম, কেবল প্রথম আধা ঘণ্টার বিষয়টি বিবেচনা করতে। কিন্তু ভাষার সমস্যার কারণে ওই কর্মী ভাবলেন, আমি টাকা দিতে অস্বীকার করছি। আর সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশ ডাকলেন!’ খবর পেয়ে জাপানি পুলিশ দোকানে চলে আসে। আশিকা বলেন, ‘পুলিশ শান্তভাবে সব শুনল...কিন্তু ডিসকাউন্ট (ছাড়) দিল শূন্য। এটাই জাপান। সেখানকার নিয়মকানুন খুব কড়া।’ শেষ পর্যন্ত পুরো জরিমানার টাকা পরিশোধ করেই তাঁদের সেখান থেকে ফিরতে হয়।

নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe