উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। এবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাইয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ ধনকুবের ল্যারি এলিসনের প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে। সে দেশে অবস্থিত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকেল ভবনে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে। তবে এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং কোথাও আগুন বা কাঠামোগত ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এক্স বার্তায় দুবাই মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, মেরিনা এলাকার ওরাকেল ভবনের ওপরে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। কোথাও আগুন বা কাঠামোগত ক্ষতির খবর মেলেনি। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওরাকেল ভবনে হামলার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করে। দুবাই মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানায়, এসব ভুয়ো খবর এবং এর কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইজরায়েল আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-সহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাই, আবুধাবির মতো শহরগুলোকে লক্ষ্য করে লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
এর মধ্যে ওরাকেল ভবনের হামলা একটি নতুন ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে। মেরিনা এলাকা শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে দুবাই মেরিনা শপিং মল-সহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্থান রয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে ওরাকেল ভবনে হামলার আগে শুক্রবার আবুধাবির হাবশান গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে হামলায় একজন নিহত এবং চারজন আহত হন। এই হামলায় দেশটির বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দুবাইয়ে হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের হামলা শুধুমাত্র স্থানীয় অবকাঠামোর ক্ষতি করে না, বরং বিশ্ব অর্থনীতি এবং প্রযুক্তি খাতেও প্রভাব ফেলে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল ইরানের পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করেছে।
হামলা প্রতিহত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ও ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার পর থেকে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ৪৭৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ২৩টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২০৮৫টি ড্রোন প্রতিহত করেছে। সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র ৩ এপ্রিলেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে পাঠানো ১৮টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ৪টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৪৭টি ড্রোন প্রতিহত করেছে।এই সংঘাতে সে দেশের ২ জন সেনা এবং সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ একজন মরক্কোর বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, এছাড়া ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ, প্যালেস্টাইনের নাগরিক-সহ মোট ৯ জন নিহত হয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এক বিবৃতিতে বলেছে, 'প্রতিরক্ষা মন্ত্রক নিশ্চিত করেছে যে, যে কোনও হুমকি মোকাবেলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত।'
{{/usCountry}}যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ও ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার পর থেকে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ৪৭৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ২৩টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২০৮৫টি ড্রোন প্রতিহত করেছে। সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র ৩ এপ্রিলেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে পাঠানো ১৮টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ৪টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৪৭টি ড্রোন প্রতিহত করেছে।এই সংঘাতে সে দেশের ২ জন সেনা এবং সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ একজন মরক্কোর বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, এছাড়া ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ, প্যালেস্টাইনের নাগরিক-সহ মোট ৯ জন নিহত হয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এক বিবৃতিতে বলেছে, 'প্রতিরক্ষা মন্ত্রক নিশ্চিত করেছে যে, যে কোনও হুমকি মোকাবেলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত।'
{{/usCountry}}