...
...
Next Story

Arunachal Chinese Incursion Allegations: অরুণাচলে চিনা অনুপ্রবেশের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ স্থানীয়দের, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রীর?

আপার সুবানসিরি জেলায় চিনা সেনার নতুন করে অনুপ্রবেশের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু। তাঁর দাবি, প্রকৃত পরিস্থিতি জানতে স্থানীয় সংগঠন এবং ভারতীয় সেনার সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।

Published on: Aug 8, 2026, 08:10:25 IST
Advertisement

Arunachal Chinese Incursion Allegations: অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলায় চিনা সেনার নতুন করে অনুপ্রবেশের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু। তাঁর দাবি, প্রকৃত পরিস্থিতি জানতে স্থানীয় সংগঠন এবং ভারতীয় সেনার সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। সীমান্তে ভারতীয় সেনা যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আপার সুবানসিরি জেলায় চিনা সেনার নতুন করে অনুপ্রবেশের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আপার সুবানসিরি জেলায় চিনা সেনার নতুন করে অনুপ্রবেশের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

সম্প্রতি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, আপার সুবানসিরি জেলার দুর্গম তাকসিং সার্কেলের পুকার লা এবং ওলো এলাকার কাছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকেছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই খবর সামনে আসে।

এই প্রসঙ্গে পেমা খান্ডু বলেন, তিনি মনে করেন না যে এই মুহূর্তে এমন কোনও অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটছে। ভারতীয় সেনা সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে এবং দেশের ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্যও গুরুত্ব দিয়ে শুনতে চান তিনি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নাহ সম্প্রদায়ের মানুষ এবং স্থানীয় সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার উদ্যোগ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি ভারতীয় সেনার কাছ থেকেও গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এর আগেও চলতি বছরের জুন মাসে আপার সুবানসিরি জেলায় চিনা অনুপ্রবেশ এবং পরিকাঠামো তৈরির অভিযোগ সামনে এসেছিল। তখন ভারতীয় সেনা স্পষ্ট ভাষায় সেই দাবি খারিজ করেছিল। জুনের শেষ সপ্তাহে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনার তরফে জানানো হয়েছিল, অরুণাচল প্রদেশে চিনা PLA-র সাম্প্রতিক অনুপ্রবেশ এবং শিবির তৈরির অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট ‘ভুল এবং ভিত্তিহীন’।

NWS-এর প্রেসিডেন্ট কেরু চাডেরের স্বাক্ষর করা ওই স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত ১০-১৫ বছরে এই কার্যকলাপ ধীরে ধীরে বেড়েছে এবং ২০২০ সালের পর তা আরও তীব্র হয়েছে। স্থানীয় মানুষ যে এলাকাগুলিতে ঐতিহ্যগত ভাবে শিকার, পশুচারণ এবং বনজ সম্পদ সংগ্রহের জন্য যাতায়াত করতেন, সেগুলির কয়েকটি এখন চিনা সেনার নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বলে অভিযোগ সংগঠনের।

NWS পাঁচটি এলাকার নামও উল্লেখ করেছে—ওয়িং (আসাফিলা এলাকা), পানিয়ার (চুজার্তা এলাকা), মারপান (মারনাফে), পোটরাং লেক এবং টিন্ডিংটাং (TG)। সংগঠনের দাবি, এই এলাকাগুলির কয়েকটি তাকসিং সদর দফতরের কাছাকাছি এবং কিছু জায়গা সারি অঞ্চলের মানুষের কাছে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

তবে NWS স্পষ্ট করেছে, ভারতীয় সেনার প্রতি তাদের কোনও অবিশ্বাস নেই। বরং দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত রক্ষার জন্য সেনার ভূমিকার প্রশংসা করেও তারা জানিয়েছে, চিনা পরিকাঠামো নির্মাণের গতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দ্রুত পরিস্থিতি যাচাই করে সীমান্ত সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে সংগঠনটি।

উল্লেখ্য, অরুণাচল প্রদেশের সঙ্গে চিনের প্রায় ১,০৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ফলে সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং সরকারি বা সামরিক পর্যায়ের বক্তব্য—দুইয়েরই গুরুত্ব রয়েছে। নতুন অভিযোগের পর মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুর সেনা ও স্থানীয় সংগঠনের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগে গোটা বিষয়টি আরও একবার পর্যালোচনার পথে এগোচ্ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe