Assam TMC Election Result: অসমে খাতা খুলল তৃণমূলের, ভোট শতাংশের নিরিখে অবশ্য হারল নোটার কাছে
অসমের বিধানসভায় পা রাখতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই নির্বাচনে একটি আসনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। সব মিলিয়ে এই নির্বাচনে মোট ২৩টি আসনে লড়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তার মধ্যে মনদিয়া আসনটি জিতেছে তৃণমূল।
২০২১ সালে ২টি আসনে লড়ে অসমের একটি আসনে জয়ী হয়েছিল সিপিএম। তবে এবার অসমে তারা শূন্য। আর এবার অসমের বিধানসভায় পা রাখতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই নির্বাচনে একটি আসনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। সব মিলিয়ে অসম বিধানসভা নির্বাচনে মোট ২৩টি আসনে লড়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তার মধ্যে মনদিয়া আসনটি জিতেছে তৃণমূল। সেই আসনে কংগ্রেসের আবদুল খালেককে ২৭ হাজার ৫৬১ ভোটে হারান তৃণমূলের শেরমন আলি আহমেদ। তিনি পান ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৮০ ভোট। ভোটের হারের নিরিখে যা ৪৩.০৭ শতাংশ। (আরও পড়ুন: লাখ ভোটের বেশি ব্যবধানে ১টি আসনে জয়ী BJP, ৯০০০০-এর ফারাক ২টিতে, TMC-র সবচেয়ে বড় জয় মেটিয়াবুরুজে)

এদিকে এই মনদিয়া আসনে এআইইউডিএফ পেয়েছে ৪৯ হাজার ১৭৪। এছাড়া বিজেপির বাদল চন্দ্র আর্য্য পান ৯৮০১ ভোট। এআইইউডিএফ-এর ভোট কাটাকাটিতেই এই আসনে তৃণমূলের 'লাভ' হয়ে যায়। এই মনদিয়া আসনটি অসমের ধুবড়ি লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এই আসনটি একদা এআইইউডিএফ-এর গড় ছিল। ২০২৪ সালে অবশ্য কংগ্রেস মুসলিম অধ্যুষিত এই আসনে জয়ী হয়েছিল।
এদিকে সব মিলিয়ে অসমে তৃণমূলের ভোটের হার ০.৮৯ শতাংশ। সিপিএমের ভোটের ০.৪৭ শতাংশ এবং সিপিআই পেয়েছে ০.০৪ শতাংশ ভোট। সিপিআই(এমএল) লিবারেশন পায় ০.১৩ শতাংশ ভোট। এদিকে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা কোনও আসনে না জিতলেও তারা ১.১৬ শতাংশ ভোট পায়। এদের থেকে বেশি ভোট অবশ্য পড়েছে নোটায়। অসমে নোটা পড়েছে ১.২৩ শতাংশ।
এদিকে আসনের নিরিখে অসমে এবার গেরুয়া ঝড় দেখা যায়। বিজেপি অসমে ৮৯টি আসনে লড়ে একাই ৮২টি আসনে জেতে। কংগ্রেস সেখানে মাত্র ১৯টি আসনে জয়ী হয়। সংখ্যালঘু রাজনীতি করা এআইইউডিএফ মাত্র ২টি আসন পায় এবারের ভোটে। বিজেপির জোটসঙ্গী অসম গণ পরিষদ এবং বোড়োল্যান্ড পিপলস ফ্রন্ট ১০টি করে আসন পায়।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


