...
...
Next Story

Attack on CJP in Rajasthan: সিজেপি-র টিমকে ধাওয়া করে মারধর, গাড়িতে পাথর ছোড়ার অভিযোগ রাজস্থানে

সিজেপির অভিযোগ, জয়পুরের কাছে রামপুরা-কাঁওরপুরা গ্রামে একটি সরকারি স্কুল কার্যত মহিষের গোয়ালঘরের মতো জায়গায় চলছে। সেই স্কুলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেই শুক্রবার সকালে দলের একটি দল সেখানে যায়। কিন্তু স্থানীয় কয়েক জন তাঁদের বাধা দিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন।

Published on: Aug 21, 2026, 11:46:36 IST
Advertisement

রাজস্থানে এ বার ‘স্কুল ঠিক করো’ অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার মুখে পড়ল ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। শুক্রবার জয়পুরের কাছে একটি গ্রামে দলের সহ-সমন্বয়ক আশুতোষ রাঙ্কা এবং তাঁর সঙ্গীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, গ্রামবাসীদের একটি দল তাঁদের প্রথমে বাধা দেয়। পরে শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি এবং মারধর। এমনকি সিজেপির গাড়িতে পাথর ছোড়া হয় বলেও দাবি।

রাজস্থানে এ বার ‘স্কুল ঠিক করো’ অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার মুখে পড়ল ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। (Hindustan Times)
রাজস্থানে এ বার ‘স্কুল ঠিক করো’ অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার মুখে পড়ল ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। (Hindustan Times)

সিজেপির অভিযোগ, জয়পুরের কাছে রামপুরা-কাঁওরপুরা গ্রামে একটি সরকারি স্কুল কার্যত মহিষের গোয়ালঘরের মতো জায়গায় চলছে। সেই স্কুলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেই শুক্রবার সকালে দলের একটি দল সেখানে যায়। কিন্তু স্থানীয় কয়েক জন তাঁদের বাধা দিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন।

এই ঘটনার একটি ভিডিয়োও সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেন সিজেপির সহ-সমন্বয়ক আশুতোষ রাঙ্কা। ভিডিয়োয় তিনি জানান, বিষয়টি জানতে তিনি নিজেই ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। এরপর রাঁকা এবং তাঁর দলের আরও কয়েক জন গ্রামে পৌঁছন।

তত ক্ষণে গ্রামে লোকজনের ভিড় বেড়ে গিয়েছিল। গাড়ি থেকে নেমে স্কুলের দিকে এগোতেই তাঁদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। প্রথমে দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কিন্তু কিছু ক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সিজেপির দাবি, পরিস্থিতি বুঝে রাঙ্কা এবং তাঁর সঙ্গীরা পিছিয়ে আসতে শুরু করেন। তখনই তাঁদের ধাওয়া করা হয়। প্রায় ৪০০ মিটার পর্যন্ত তাঁদের পিছনে দৌড়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। দলের কয়েক জন সদস্যকে ফেলে দিয়ে লাথি, ঘুষি, বেল্ট এবং দড়ি দিয়ে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

ঘটনার পরে সিজেপির এক স্বেচ্ছাসেবক অভিযোগ করেন, তাঁদের ‘সন্ত্রাসবাদী’ এবং ‘নকশাল’ বলে কটূক্তি করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, কয়েক জন গ্রামবাসীর দাবি, গ্রামের নাম ভগবান রামের সঙ্গে জড়িত। তাই এমন কাউকে তাঁরা গ্রামে ঢুকতে দেবেন না, যারা রামের বিরুদ্ধে কথা বলে।

গ্রামবাসীদের একাংশ আরও দাবি করেছেন, স্কুলের উন্নয়নের জন্য ইতিমধ্যেই ১২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, সিজেপির এই কর্মসূচি তাঁরা চান না। স্কুলের বিষয়কে রাজনৈতিক রং দেওয়ার বিরোধিতাও করেছেন তাঁরা।

তবে হামলার অভিযোগ এখানেই থামেনি। আশুতোষ রাঁকা পরে দাবি করেন, রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলাওয়ারের নির্দেশেই তাঁদের উপর হামলা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সমর্থনে কোনও প্রমাণ তিনি প্রকাশ্যে দেননি।

রাঙ্কার দাবি, হামলায় তাঁর জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। দলের এক স্বেচ্ছাসেবকের হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। মহিলা স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। গোটা ঘটনার জন্য রাজ্য সরকারের দিকেও আঙুল তুলেছেন তিনি।

ঘটনার পর রাঁকা ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ওই সময়ের মধ্যে হামলায় জড়িত সকলকে গ্রেফতার করতে হবে। একই সঙ্গে স্কুলে প্রবেশ নিয়ে জারি করা নির্দেশ প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন তিনি। রাঙ্কার হুঁশিয়ারি, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলাওয়ারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নামবে সিজেপি।

তবে ঘটনার আসল সত্যতা কী, তা নিয়ে এখনও দু’পক্ষের বক্তব্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। হামলার অভিযোগের তদন্ত কী ভাবে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর। ‘স্কুল ঠিক করো’ অভিযান ঘিরে রাজস্থানে তৈরি হওয়া এই সংঘাত আগামী দিনে আরও রাজনৈতিক চেহারা নেয় কি না, সেটাই দেখার।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe