...
...
Next Story

Lt Gen Susan Coyle: ১২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম! অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনীর প্রধান হচ্ছেন এক মহিলা

Lt Gen Susan Coyle: সেনাপ্রধান হিসেবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের স্থলাভিষিক্ত হবেন সুসান কয়েল। বর্তমানে সুসান কয়েল জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

Published on: Apr 13, 2026 11:16 PM IST
Advertisement

Lt Gen Susan Coyle: ইতিহাস গড়লেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েল। ১২৫ বছরের সামরিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে একজন মহিলাকে নিয়োগ করছে অস্ট্রেলিয়া। লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েলকে নতুন চিফ অব আর্মি হিসেবে ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। আগামী জুলাই থেকে তাঁর মেয়াদ শুরু হবে।

অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনীর প্রধান হচ্ছেন এক মহিলা (via REUTERS)
অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনীর প্রধান হচ্ছেন এক মহিলা (via REUTERS)

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস সুসান কয়েলের নিয়োগকে একটি ‘যুগান্তকারী ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘সুসানের এই অর্জন আজ অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সে কর্মরত মহিলাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। ভবিষ্যতে যারা সেখানে কাজ করার কথা ভাবছেন, তাদের জন্যও এটি বড় অনুপ্রেরণা এটি।’ ৫৫ বছর বয়সি কয়েল ১৯৮৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং বেশ কয়েকটি ঊর্ধ্বতন কমান্ড পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মার্লেস বলেন, ‘তিনিই হবেন সেনাবাহিনীর যে কোনও সার্ভিস শাখার নেতৃত্বদানকারী প্রথম মহিলা।’ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জুলাই মাস থেকে অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর ১২৫ বছরের ইতিহাসে আমরা প্রথমবারের মতো একজন মহিলা সেনাপ্রধান পেতে যাচ্ছি।’

সেনাপ্রধান হিসেবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের স্থলাভিষিক্ত হবেন সুসান কয়েল। বর্তমানে সুসান কয়েল জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষা বাহিনীতে (এডিএফ) মহিলাদের সংখ্যা প্রায় ২১ শতাংশ এবং ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের পদগুলোতে তাদের হার ১৮.৫ শতাংশ। এডিএফ ২০৩০ সালের মধ্যে মহিলাদের সার্বিক অংশগ্রহণের হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে, একই দিনে নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক হ্যামন্ডকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। অ্যাডমিরাল ডেভিড জনস্টনের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি। আর নৌবাহিনীর ডেপুটি প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল ম্যাথিউ বাকলি নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে হ্যামন্ডের স্থলাভিষিক্ত হবেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলছে, এই পরিবর্তনগুলো অস্ট্রেলিয়ার সামরিক নেতৃত্বে আধুনিকায়ন ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধির অংশ। পাশাপাশি সামরিক বাহিনীতে মহিলাদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেও এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই নিয়োগ এমন এক সময়ে হল যখন অস্ট্রেলিয়ার সামরিক বাহিনী যৌন হেনস্থা এবং বৈষম্যের মতো গুরুতর অভিযোগের মুখে রয়েছে। গত অক্টোবর মাসে এডিএফ-এর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মহিলা কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে একটি মামলাও করা হয়। এমন প্রেক্ষাপটে সুসানের নিয়োগকে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe