...
...
Next Story

Bangla-Urdu Sessions for US Diplomats: মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য টুলকিটে বাংলায় সেশন! প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় নিয়ে বিতর্ক

স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ফরেন সার্ভিসের প্রশিক্ষকদের জন্য একটি DEI টুলকিটে ছিল “Let’s Talk About Black Lives Matter in Bangla” নামে একটি সেশন। অর্থাৎ, মার্কিন কূটনীতিকদের বাংলা ভাষায় Black Lives Matter আন্দোলন নিয়ে আলোচনা করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হত বলে দাবি করেছে দফতর।

Published on: Aug 14, 2026, 08:35:16 IST
Advertisement

আমেরিকার কূটনীতিকদের প্রশিক্ষণে বাংলায় ‘Black Lives Matter’ এবং উর্দুতে ‘systemic racism’ বা প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবৈষম্য নিয়ে আলোচনা করানো হচ্ছিল! এমনই তথ্য সামনে আসার পর মার্কিন বিদেশ দফতরের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এবার মার্কিন ফরেন সার্ভিসে Diversity, Equity and Inclusion বা DEI-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেছে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় আগের প্রশিক্ষণে এই ধরনের বিষয় থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আমেরিকার কূটনীতিকদের প্রশিক্ষণে বাংলায় ‘Black Lives Matter’ এবং উর্দুতে ‘systemic racism’ বা প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবৈষম্য নিয়ে আলোচনা করানো হচ্ছিল! (HT_PRINT)
আমেরিকার কূটনীতিকদের প্রশিক্ষণে বাংলায় ‘Black Lives Matter’ এবং উর্দুতে ‘systemic racism’ বা প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবৈষম্য নিয়ে আলোচনা করানো হচ্ছিল! (HT_PRINT)

সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে বাংলাকে ঘিরে থাকা প্রশিক্ষণটি। স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ফরেন সার্ভিসের প্রশিক্ষকদের জন্য একটি DEI টুলকিটে ছিল “Let’s Talk About Black Lives Matter in Bangla” নামে একটি সেশন। অর্থাৎ, মার্কিন কূটনীতিকদের বাংলা ভাষায় Black Lives Matter আন্দোলন নিয়ে আলোচনা করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হত বলে দাবি করেছে দফতর।

শুধু বাংলা নয়, উর্দুতেও ‘systemic racism’ নিয়ে আলোচনা করার প্রশিক্ষণ ছিল বলে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে। পাশাপাশি হিব্রু ভাষার পাঠে ‘Black Lives Matter’ সংক্রান্ত পরিভাষা যুক্ত করার অনুশীলন এবং আমেরিকা ও অন্যান্য দেশে ‘race and racism’ নিয়ে রোল-প্লেয়িং এক্সারসাইজও প্রশিক্ষণের অংশ ছিল।

এখানেই শেষ নয়। মার্কিন বিদেশ দফতরের অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় দাবি করা হয়েছে, ফরেন সার্ভিস প্রশিক্ষকদের জন্য তৈরি DEI পাঠ্যতালিকায় Critical Race Theory-র একাধিক বইও ছিল। কূটনীতিকদের DEI সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিদেশি সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করতে উৎসাহ দেওয়া হত বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি DEI-কে পদোন্নতির মূল্যায়নের একটি মাপকাঠি হিসেবেও ব্যবহার করা হয়েছিল বলে মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ।

এই সিদ্ধান্ত আসলে ট্রাম্প প্রশাসনের বৃহত্তর DEI-বিরোধী নীতিরই অংশ। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতে Diversity, Equity, Inclusion and Accessibility বা DEIA-ভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি বাতিলের পথে হাঁটছে। ২০২৫ সালের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্দেশের পর থেকেই ফেডারেল প্রশাসনে DEI কর্মসূচি কমানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।

তবে বাংলায় Black Lives Matter শেখানোর বিষয়টি সামনে আসায় বিতর্কটি বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। কারণ বাংলা কোনও মার্কিন সরকারি ভাষা নয়; তা সত্ত্বেও মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য বাংলায় এমন রাজনৈতিক-সামাজিক বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ কেন প্রয়োজন ছিল, সেই প্রশ্ন উঠছে। এই আবহে ট্রাম্প প্রশাসনের বক্তব্য স্পষ্ট- আমেরিকার কূটনীতিকদের প্রশিক্ষণ কোনও মতাদর্শ প্রচারের জায়গা নয়। জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে পেশাদার কূটনৈতিক দক্ষতা তৈরি করাই হবে ভবিষ্যৎ ফরেন সার্ভিসের প্রধান লক্ষ্য।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe