...
...
Next Story

'আনন্দ' শব্দ বাদ, ছাঁট ‘মঙ্গল’ও! তারেকের বাংলাদেশে বর্ষবরণের উৎসবের নয়া নাম, UNESCO স্বীকৃতি নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

বাংলাদেশ পেল বর্ষবরণের উৎসবের নয়া নাম।

Published on: Apr 5, 2026, 20:24:37 IST
Advertisement

সদ্য ফেব্রুয়ারি মাসে নতুন নির্বাচিত সরকার পেয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের তখতে বসে অন্তর্বর্তী সরকার। নেতৃত্বে ছিলেন মহম্মদ ইউনুস। এমন এক অবস্থায়, সেদেশে বহু বছর ধরে চলা পয়লা বৈশাখের বর্ষণের উৎসবের নাম হয়, আনন্দ শোভাযাত্রা। তার আগে, এই শোভাযাত্রার নাম ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা। তবে এবার বাংলাদেশের গদিতে তারেক সরকারের আমলে এই শোভাযাত্রার নাম বদল হয়েছে। তা নিয়ে ইউনেস্কোর স্বীকৃতিতে কি প্রভাব পড়বে? মুখ খুললেন বাংলাদেশের মন্ত্রী।

ইউনুস আমলের 'মঙ্গল' শব্দ বাদ, ছাঁট পড়ল ' আনন্দ'এও! তারেকের বাংলাদেশে বর্ষবরণের উৎসবের নয়া নাম কী?
ইউনুস আমলের 'মঙ্গল' শব্দ বাদ, ছাঁট পড়ল ' আনন্দ'এও! তারেকের বাংলাদেশে বর্ষবরণের উৎসবের নয়া নাম কী?

২০২৫ সালে ইউনুস সরকার বাংলাদেশে আসার পর সেদেশের বর্ষবরণ শোভাযাত্রার নামটি পাল্টে দেন। তার নাম হয়, আনন্দ শোভাযাত্রা। তার আগে, অনুষ্ঠানের নাম ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা। মূলত, সেই সময় 'মঙ্গল' শব্দ নিয়ে বাংলাদেশে মুসলিম সমাজের একাংশের আপত্তি ছিল বলে জানা যায়। এই শব্দে হিন্দু ধর্মীয় ছাপ ছিল বলে তখন অভিযোগ ওঠে। ফলত, নাম পাল্টায় অনুষ্ঠানের। ২০২৬ সালে বাংলাদেশে এই বর্ষবরণ উৎসবের নাম হয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা। এদিন বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, 'বড় মিটিং করেছি, এবার থেকে আমাদের সরকারি সিদ্ধান্ত আছে,আমরা এটাকে আনন্দ শোভাযাত্রাও বলব না, মঙ্গল শোভাযাত্রাও বলব না। বাংলাদেশের তারেক রহমান সরকারের সংস্কৃতি বিষয়কর মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরী বলেন, ‘শোভাযাত্রা হবে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে। এখানে সমস্ত সাংস্কৃতির প্রদর্শন থাকবে। যার যার মতো ঢোল-বাদ্য, পোশাক-আশাক নিয়ে একটা আনন্দঘন শোভাযাত্রা হবে। এই শোভাযাত্রার নাম হবে “বৈশাখী শোভাযাত্রা”।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe