...
...
Next Story

নয়া কৌশল! তিস্তা ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাইছে না বাংলাদেশ, নেপথ্যে...

Teesta Water Treaty: বাংলাদেশের মন্ত্রীর বক্তব্য, নির্বাচনের পর তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে সরকার একাধিক সেমিনার ও পরামর্শ বৈঠকের আয়োজন করেছে। তাঁদের সুপারিশের ভিত্তিতে একটি বিস্তারিত সমীক্ষা করা হবে।

Published on: Aug 18, 2026, 21:01:16 IST
Advertisement

Teesta Water Treaty: ভারতের (India) সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখেই তিস্তা জলবণ্টন ইস্যু সারতে চাইছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জলসম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী অ্যানির (Shahiduddin Chowdhury Anee) বক্তব্য, দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও খারাপ হোক, তা চায় না ঢাকা। তাঁর আবেদন, নিজেদের স্বার্থের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বার্থের কথাও যেন নয়াদিল্লি বিবেচনায় রাখে।

তিস্তা ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাইছে না বাংলাদেশ (সৌজন্যে টুইটার)
তিস্তা ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাইছে না বাংলাদেশ (সৌজন্যে টুইটার)

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পরেই প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে চিনে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। সেখানে তিস্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে টিবিএস নিউজ উদ্ধৃত করে ঢাকায় এক সেমিনারে শহিদউদ্দিন চৌধুরী অ্যানি বলেন, 'প্রতিবেশী দেশ বন্ধু দেশ। তারা যেমন তাদের স্বার্থের দিকটি ভাবছে, আমরাও আমাদের স্বার্থ ভাবছি। একজন বন্ধুর উচিত আরেক বন্ধুর স্বার্থও সুরক্ষিত করা। আমরা কখনওই চাই না, আমাদের দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বের সম্পর্ক খারাপ হোক।'তিস্তা নিয়ে চিনের সঙ্গে সখ্য বাড়ানোর পাশাপাশি ভারতকেও তাত্‍পর্যপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে ঢাকা।

বাংলাদেশের মন্ত্রীর বক্তব্য, নির্বাচনের পর তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে সরকার একাধিক সেমিনার ও পরামর্শ বৈঠকের আয়োজন করেছে। তাঁদের সুপারিশের ভিত্তিতে একটি বিস্তারিত সমীক্ষা করা হবে। সেই সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই সরকার তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারা যাবে। তিস্তা প্রকল্পকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে অ্যানি বলেন, নদীভাঙন-সহ নানা সমস্যায় বছরের পর বছর ধরে জর্জরিত বাংলাদেশের উত্তরে পাঁচ থেকে ছয়টি জেলার মানুষের এই প্রকল্প ঘিরে অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। তাঁর কথায়, 'আমরা যদি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হই, তা হলে ওই এলাকার পরিবারগুলির ক্ষয়ক্ষতি ও সমস্যা ক্রমশ বাড়তেই থাকবে। যে কোনও মূল্যে আমাদের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।'

এদিকে বাংলাদেশের মন্ত্রী বলেন, 'দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে চ্যালেঞ্জ নিয়েই তিস্তা চুক্তি বা তিস্তা মহাপরিকল্পনা নামেই হোক; এই প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে যা যা করা দরকার, আমরা সেই বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাব।' গত জুন মাসে চিন সফরে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে চিনের জলসম্পদ মন্ত্রী লি গুয়িংয়ের সঙ্গে বৈঠকে তিস্তা নদী প্রসঙ্গ তোলেন তারেক। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অফিস সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেছে, তিস্তা ও বাংলাদেশের অন্যান্য নদী নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিস্তা রিভার ম্যানেজমেন্ট প্রোজেক্টে (তিস্তা প্রকল্প) বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে চিন। যার নির্যাস, তিস্তা প্রকল্পে সরাসরি বেজিংয়ের সাহায্য চেয়েছে ঢাকা। অথচ গোটা আলোচনায় মূল পক্ষ ভারত বাদ। তিস্তার বেশির অংশই কিন্তু ভারতে প্রবাহিত।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe