এককালে যে পাকিস্তানের সেনার সঙ্গে লড়ে বাংলাদেশ তার স্বাধীনতা পেয়েছিল, সেই পাকিস্তান সদ্য সৌদি আরব, তুরস্কের সঙ্গে মক্কা প্যাক্টে যোগ দিয়েছে। এই প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, এই তিন চুক্তিবদ্ধ দেশগুলির কোনও একটিতে হামলা মানে, বাকি চুক্তিবদ্ধ দেশে হামলার সমান। কার্যত এই সন্ধি ইসলামিক ন্যাটোর ভাবনাকে উস্কে দিচ্ছে। সেই চুক্তি, অর্থাৎ মক্কা প্যাক্টে ভারতের অপর প্রতিবেশী বাংলাদেশ যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে বিস্তর আলোচনার মাঝেই বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান ঢাকার অবস্থান সেদেশের সংসদে স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এদিকে, মক্কা প্যাক্টের মতো প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষরের পর পাকিস্তান এবার কুয়েতের সঙ্গে আরও এক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে।
পাকিস্তান-কুয়েতের নয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি!
তথ্য অনুযায়ী, সামরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পাকিস্তান ও কুয়েত বৃহস্পতিবার একটি নতুন প্রোটোকল স্বাক্ষর করেছে। এর আওতায় প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ এবং কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ আলি আল-সাবাহর নেতৃত্বাধীন কুয়েতের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের মধ্যে বৈঠকে ‘প্রোটোকল এগ্রিমেন্ট-২০২৬’ স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী, পাকিস্তানের সেনা, কুয়েতকে প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং পারস্পরিক সম্মতিক্রমে নির্ধারিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়া দেশ দুটি গোয়েন্দা তথ্য ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও সহযোগিতা আরও জোরদার করবে। এছাড়াও কুয়েতের ওই প্রতিনিধি দল, আলাদা করে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল তথা সেনা প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। যে সাক্ষাৎও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
মক্কা প্যাক্ট নিয়ে বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সংসদে বৃহস্পতিবার, সেদেশের বিদেশমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের সাংসদ রুমিনা ফারহানা জানতে চান, মক্কা প্যাক্টে যুক্ত হলে বাংলাদেশের সুবিধা কী হবে? তার উত্তরে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, ‘এই প্যাক্ট তিনটি দেশের মধ্যে হয়েছে। এ প্যাক্টটিকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছি।’ তিনি এর সঙ্গে জানান, ‘এতে যোগদান বা যোগদান না করার বিষয়টি এখনো আসেনি, কারণ এটা নির্ভর করছে প্যাক্টের সদস্যদের অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি বাংলাদেশকে এ প্যাক্টে নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করে, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই এটাকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’ এদিকে, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ওআইসির বৈঠকে যোগ দিতে এখন সৌদি আরবের মক্কায়। সেখানে সৌদির বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। এনডিটিভির রিপোর্ট বলছে, এই প্যাক্টে বাংলাদেশের যোগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই মন্ত্রীর সাক্ষাৎ নিয়ে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক এক পোস্টে জানিয়েছে, ‘উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক গতিধারায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং এই অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।’
{{/usCountry}}বাংলাদেশের সংসদে বৃহস্পতিবার, সেদেশের বিদেশমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের সাংসদ রুমিনা ফারহানা জানতে চান, মক্কা প্যাক্টে যুক্ত হলে বাংলাদেশের সুবিধা কী হবে? তার উত্তরে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, ‘এই প্যাক্ট তিনটি দেশের মধ্যে হয়েছে। এ প্যাক্টটিকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছি।’ তিনি এর সঙ্গে জানান, ‘এতে যোগদান বা যোগদান না করার বিষয়টি এখনো আসেনি, কারণ এটা নির্ভর করছে প্যাক্টের সদস্যদের অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি বাংলাদেশকে এ প্যাক্টে নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করে, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই এটাকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’ এদিকে, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ওআইসির বৈঠকে যোগ দিতে এখন সৌদি আরবের মক্কায়। সেখানে সৌদির বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। এনডিটিভির রিপোর্ট বলছে, এই প্যাক্টে বাংলাদেশের যোগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই মন্ত্রীর সাক্ষাৎ নিয়ে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক এক পোস্টে জানিয়েছে, ‘উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক গতিধারায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং এই অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।’
{{/usCountry}}